বেনাপোলে তুচ্ছ ঘটনায় সাংবাদিককে নির্যাতন

বেনাপোলে তুচ্ছ ঘটনায় সাংবাদিককে নির্যাতন

ফন্ট সাইজ:

যশোরের বেনাপোলে তুচ্ছ ঘটনায় একজন সাংবাদিকের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে থানায় মামলা হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও তার পরিবারের লোকেরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এদিকে মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক জিসান আহম্মেদ রাব্বী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

জানা যায়, শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানার ভবেরবেড় গ্রামের বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী শাহাদুর রহমান খোকনের ছেলে জিসান আহম্মেদ রাব্বী বাংলা নিউজের বেনাপোল প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি পৈতৃক ব্যবসাও দেখাশোনা করেন। সম্প্রতি আমড়াখালী এলাকার হক ফিলিং স্টেশনে ট্রাকের তেল নেয়াকে কেন্দ্র করে তার সঙ্গে স্থানীয় একদল যুবকের কথাকাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় পান্তাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে তরিকুল ইসলাম রাজু, মান্দারতলা গ্রামের আব্দুল্লাহ, কাগমারি আমড়াখালি গ্রামের রজব আলীর ছেলে হাসান, আজগর আলীর ছেলে মোস্তাক, ইউনুস আলীর মেয়ে জামাই হাসান ওরফে ঘরজামাই হাসান, কাগজপুকুর গ্রামের মমিন হুজুরের ছেলে আব্দুল্লাহসহ ৮-১০ জন যুবক জিসানকে বেধড়ক মারপিট করে। এ সময় তারা জোরপূর্বক ৬৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। মুমূর্ষু অবস্থায় জিসানকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জিসানের ট্রান্সপোর্টের স্টাফ ভবেরবেড় গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে সোহাগ হোসেন বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেন। পুলিশ ঘটনাটির প্রাথমিক তদন্ত করে মামলাটি রেকর্ড করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিলন হোসেন।

অদ্যাবধি এ মামলার কোনো অগ্রগতি নেই। উপরন্তু এসআই মিলন মামলার বাদীসহ অন্যদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আসামিরা আদালত থেকে অগ্রিম জামিন নিয়ে বেপরোয়া চলাফেরা করছে। তারা বাদী ও তার পরিবারের সদস্যসহ নির্যাতিত সাংবাদিক জিসান আহম্মেদ রাব্বীকে হত্যা করার হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। বিষয়টি এসআই মিলনকে বারবার অবহিত করলেও রহস্যজনক কারণে তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। উপরন্তু নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন নির্যাতিত সাংবাদিক জিসান আহমেদ। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এসআই মিলন হোসেন বলেন, আমি মামলার তদন্ত করছি। আসামিরা আদালত থেকে জামিনে আছেন। ফলে আমি চেষ্টা করেও তাদের আটক করতে পারছি না।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন