গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। পরে লাশ বস্তাবন্দি করে ফেলে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। রোববার দিবাগত রাতে কোনাবাড়ীর বাইমাইল পূর্বপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মমতাজ খাতুন (২২) কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা গ্রামের ময়নাল হকের মেয়ে। তিনি স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তাদের চার বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে এক ব্যক্তিকে সাদা বস্তা কাঁধে নিয়ে রাস্তা পার হতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। তাকে থামানোর চেষ্টা করলে তিনি বস্তা ফেলে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে বস্তা খুলে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী আনোয়ার হোসেন ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে মহাসড়কের পাশে ফেলে দেন।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
