ইউএনও’র হস্তক্ষেপে রক্ষা পেলো ফসলি জমির ধান

ফন্ট সাইজ:

পানি নিষ্কাশনের নালা বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ করায় দুই শতাধিক একর ফসলি জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রাস্তা কেটে পানি বের করার উদ্যোগ নিয়ে দুই শতাধিক একর জমির উঠতি ধান রক্ষা করলেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

গত রোববার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শায়লা সাঈদ তন্বী সরজমিন গিয়ে ফসলি জমির মাঠ পরিদর্শন ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে পানি নিষ্কাশিত নালাতে থাকা রাস্তাটি কেটে শত শত জমির তলিয়ে যাওয়া বোরো ধান রক্ষা করেন। এ সময় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নালাটিতে থাকা সব মাটি সরানোর নির্দেশ প্রদান করেন। মুচলেকা দিয়ে ছাড় পান অভিযুক্ত বুলুর লোকজন। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে ফসলি জমির উপরে থাকা মাটি না সরালে বুলুর বিরুদ্ধে নেয়া হবে আইনি পদক্ষেপ। তবে প্রশাসন যাওয়ার খবর পেয়ে আগেই সটকে পড়েন বুলু ইসলাম।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বাকডোকরা গ্রামে। জানা যায় ওই গ্রামের বুলু ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অটো রাইস মিল ও ফিলিং স্টেশন দেয়ার নাম করে শত বছর ধরে পানি নিষ্কাশিত নালাটি বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে করে কয়েকটি গ্রামের শত শত একর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। বুলু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রশাসনের ক্ষমতা দেখিয়ে কাউকে তোয়াক্কা না করে নালার উপর রাস্তা নির্মাণ করেন। সাধারণ মানুষ তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও হাত-পা কেটে দেয়ার মতো প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, পানি নিষ্কাশিত নালা বন্ধ করে রাস্তাটি নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে করে অনেক ফসলি জমির ধান ডুবে যায়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পানি নিষ্কাশিত নালাটির মাটি সরানোর মুচলেকা দেন বুলুর লোকজন। নালা দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে আর কোনো জলাবদ্ধতা হবে না।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন