সংবাদ সম্মেলনে হাব নেতৃবৃন্দ

সিলেট থেকে জেদ্দায় সরাসরি যাচ্ছে সাত হজের ফ্লাইট

ফন্ট সাইজ:

এ বছর সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মোট সাতটি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ফ্লাইটটি আগামী ৪ঠা মে রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব), সিলেট অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ৩রা মে সিলেট হাব কার্যালয়ে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রা সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে হাব সিলেট অঞ্চলের সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুল কাদির বলেন, প্রতি বছরের মতো এ বছরও সিলেট থেকে সরাসরি পবিত্র হজ ফ্লাইট চালু হওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। প্রথম ফ্লাইটটি ৪ঠা মে রাত ১টা ২৫ মিনিটে ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং এ বিষয়ে সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি সকল হজযাত্রীকে মোবারকবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, গত বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও সিলেট থেকে মোট সাতটি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে একটি মদিনায় এবং বাকি ছয়টি জেদ্দা বিমানবন্দরে যাবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসব ফ্লাইট ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ (দু’টি ফ্লাইট) ও ১৮ই মে সিলেট-জেদ্দা রুটে পরিচালিত হবে। এ বছর সিলেট অঞ্চলের মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ৩,৩৯৪ জন। এর মধ্যে ২,৯৩৩ জন যাত্রী সরাসরি সিলেট থেকে সাতটি ফ্লাইটে সৌদি আরব যাবেন এবং বাকি ৪৬১ জন ঢাকা হয়ে যাত্রা করবেন। ‘রোড টু মক্কা’ কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন হলেও সিলেট থেকে যাত্রাকারীদের ইমিগ্রেশন সৌদি আরবেই সম্পন্ন হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৮,৫০০ জন হজযাত্রী হজে অংশ নেবেন।

সৌদি সরকারের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী প্রতি এজেন্সির জন্য ন্যূনতম ২,০০০ জন যাত্রীর সীমা থাকলেও সিলেট অঞ্চলে এ নিয়ে বড় কোনো সমস্যা হয়নি। সিলেট অঞ্চলে মোট ৩০টি হজ এজেন্সি কার্যক্রমে যুক্ত থাকলেও এ বছর ২৩টি এজেন্সি নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেয়। এসব এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হজযাত্রীদের নিবন্ধন, ভিসা কার্যক্রম এবং সৌদি আরবে বাসস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছর একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে ‘সিলেট অ্যালায়েন্স হজ ২০২৬’ প্ল্যাটফরমের অধীনে লিড এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিসেসের লাইসেন্সে হজ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা সমন্বিত ব্যবস্থাপনার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ বছর সিলেট থেকে অংশগ্রহণকারী হজ এজেন্সিগুলো হলোÑ লতিফ ট্রাভেলস প্রা. লি., সানশাইন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, ইকরা ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেস, সিপার এয়ার সার্ভিসেস, ট্রাভেলন এয়ার সার্ভিসেস, এলাইট ট্রাভেলস, সিটি ওভারসিজ, আল মনসুর এয়ার সার্ভিস লিমিটেড, আল ইহসান ট্রাভেলস, রাব্বানী ওভারসিজ এভিয়েশন, আকাবা ট্রেডিং করপোরেশন, তাশফিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, যাত্রীক ট্রাভেলস, নিবরাস ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস, আলফা ট্রাভেলস, আবাবিল এয়ার সার্ভিস, আল শরিফাইন ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, শিপলু ওভারসিজ, খাজা এয়ার লাইনার, খাজা ট্রাভেলস, নিউ মডার্ন ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল এবং ডিসকভারি সিলেট ট্রাভেলস ট্যুরস।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন