ট্যাঙ্কলরি থেকে জ্বালানি বিক্রি, গ্রেপ্তার ৩

ফন্ট সাইজ:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় অবৈধভাবে বিক্রির সময় ২ হাজার ২০০ লিটার জ্বালানিসহ ট্যাঙ্ক লরি জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় ক্রেতা ট্যাঙ্কলরি চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জ্বালানি ক্রেতা ফুলবাড়ীয়ার উসমান আলী, সিরাজগঞ্জ জেলার লরির চালক সোহেল রানা (৪০) ও চালকের সহকারী হৃদয় আহমেদ (২৩)। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামির প্রত্যেককে ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ফুলবাড়ীয়া থানার এসআই শামীম হোসেন বলেন, বুধবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের শিবগঞ্জের হাটখালী বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে বেশ কয়েকজন পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় উসমান আলী, লরিচালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ট্যাঙ্কলরিতে থাকা ২ হাজার ২০০ লিটার জ্বালানি ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক ও সহকারী জানান, তারা সিরাজগঞ্জ থেকে জ্বালানি মুক্তাগাছার সেভেন স্টার ফিলিং স্টেশনে দেয়ার জন্য এনেছিল। সেখানে জ্বালানি না দিয়ে অবৈধভাবে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের শিবগঞ্জের হাটখালী বাজারের উসমান মিয়ার কাছে অবৈধভাবে বিক্রি করছিলেন।

গ্রেপ্তার চালক ও সহকারীর কাছ থেকে জ্বালানির একটি স্লিপ পাওয়া গেছে। ওই স্লিপে সেভেন স্টার ফিলিং স্টেশন নাম উল্লেখ করা আছে। তবে, ফিলিং স্টেশনের কোনো ঠিকানা দেয়া ছিল না। মুক্তাগাছার সত্রাশিয়া বাজারে সেভেন স্টার ফিলিং স্টেশন আছে। তবে, এ ঘটনার সঙ্গে ওই ফিলিং স্টেশনের কোনো যোগসূত্র আছে কি না জানা নেই।

স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, পুটিজানা ইউনিয়নের শিবগঞ্জ হাটখালী বাজারে সোহেল মিয়া খুচরা জ্বালানি বিক্রি করেন। তার সরকারি এনওসি রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন পাম্পের সঙ্গে যোগসাজস করে রাতের আঁধারে অধিক দামে জ্বালানি বিক্রি করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে সোহেল মিয়া বলেন, আমার এনওসি আছে এবং ৩০০ লিটার জ্বালানি মজুত করে বিক্রির অনুমোদন আছে। তবে এই সংকটময় মুহূর্তে জ্বালানি না পেয়ে আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছি।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন