হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

ফন্ট সাইজ:

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১১৫১ জন শনাক্ত হয়েছে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ই মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২২৭ জন। ১৫ই মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২৮ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১৩১ জন। এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৫ হাজার ১৫৮ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২১ হাজার ৭৫৬ জন।

মে মাসের মধ্যেই দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে আসবে: চলমান হাম পরিস্থিতি মে মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এ লক্ষ্যে দেশের শতভাগ শিশুকে দ্রুত হামের টিকার আওতায় আনার জন্য জোরালো কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। গতকাল রাজধানীর শ্যামলীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৬১ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং অনেক এলাকায় শতভাগ কভারেজ অর্জিত হয়েছে। হামের টিকা কার্যক্রম শুরু করা প্রথম ৩০টি উপজেলায় বর্তমানে কোনো রোগী নেই। তিনি আরও বলেন, টিকা হাতে পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

আগামী ৫ই মে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আমরা তা ১৪ দিন এগিয়ে এনে ২০শে এপ্রিল থেকেই শুরু করেছি। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাম প্রতিরোধে গত ছয়টা বছর শিশুদের কোনো টিকা দেয়া হয়নি। আমরা জরুরি ভিত্তিতে তা শুরু করি। ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এবং আমেরিকা যৌথভাবে যদি হেল্প না করতো, তাহলে দেশের এই মানচিত্র আজকে অন্যরকম হতে পারতো। এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। তাঁবুর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে ইউনিভার্সিটি প্লে-গ্রাউন্ডে তাঁবু স্থাপন শুরু হয়ে যাবে। আমরা চাই না, ডেঙ্গু রোগী আসুক। আমরা সেবা দিতে পারবো, কিন্তু প্রতিরোধ করা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। মশক নিধনে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যাতে সিটি করপোরেশন সম্পন্ন করে, সে ব্যাপারে আমরা তাদের বলেছি।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন