ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও মার্কিন বাহিনী যুদ্ধ শুরু করলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ব্যাপক হামলা চালায় তেহরান। এসব হামলার জবাব কীভাবে দেওয়া হবে- তার পরিপ্রেক্ষিতে দুই মাস পর উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। সৌদি আরবের জেদ্দায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপসাগরীয় এক কর্মকর্তা বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো। এসব হামলার প্রতিক্রিয়া কীভাবে দেয়া হবে তা নির্ধারণের লক্ষ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হলে ইরানি হামলায় জিসিসিভুক্ত ছয়টি দেশের প্রধান জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে এসব দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালায় ইরান।
গত ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হলে এসব দেশের ওপর হামলা বন্ধ করে ইরান। তবে ফের যুদ্ধ শুরুর শঙ্কায় এসব দেশ এখন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকে যোগ দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে কাতারের আমির, কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, বাহরাইনের রাজা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জেদ্দায় পৌছেছেন। তবে ওমান এবং সৌদির হয়ে এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

Dr amin
২ মাস আগেNon muslim countries are better than these muslim countries