নরসিংদীর রায়পুরায় এক মাদরাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় বিএনপির নেতা ও দুইবারের সাবেক মেয়র হাজী আ. কুদ্দুস মিয়াকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান তিনি।
অপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. ফাইজুর রহমান। রোববার বিকালে নরসিংদীর রায়পুরা পৌর এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হাজী আ. কুদ্দুস মিয়ার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। অপ্রপ্রচারীকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিকট দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন।
তিনি দাবি করেন, হাসিমপুর এলাকার মাদরাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় হাজী আ. কুদ্দুস মিয়া কোনো শালিস-দরবারে অংশ নেননি বরং তিনি শুরু থেকেই ঘটনাটিকে একটি গুরুতর রাষ্ট্রীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অপপ্রচারের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাজী আ. কুদ্দুস মিয়া বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. ফাইজুর রহমান বলেন, হাজী আ. কুদ্দুস একজন সৎ ও জনপ্রিয় ব্যক্তি। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল রায়পুরা উপজেলার হাশিমপুর এলাকায় জান্নাতুল বুশরা বালিকা মাদরাসার প্রায় ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মাদরাসার শিক্ষক মো. জুনায়েদের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা এবং প্রায় ৩ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় কয়েকজন স্থানীয় বিএনপি নেতার নাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে হাজী আ. কুদ্দুস মিয়ার নামও উল্লেখ করা হয়।
