এনজো ম্যাজিকে এফএ কাপের ফাইনালে চেলসি

এনজো ম্যাজিকে এফএ কাপের ফাইনালে চেলসি

ফন্ট সাইজ:

অবশেষে হারের বৃত্ত ভেঙে খুশির উপলক্ষ খুঁজে পেলো চেলসি। কোচ ছাঁটাই ও ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে টানা হারের তিক্ততার মধ্যে এফএ কাপের ফাইনালে উঠলো ব্লুরা। রোববার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লিডস ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে পৌঁছে গেছে জায়ান্টরা। ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে দলের হয়ে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচের পর চেলসির অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ক্যালাম ম্যালফারলেন আর্জেন্টাইন তারকাকে ‘লড়াকু’ ও ‘জাত বিজয়ী’ হিসেবে সম্বোধন করেন।
ম্যাচের ২৩তম মিনিটে পেদ্রো নেতোর নিখুঁত ক্রস থেকে দর্শনীয় হেডে জয়সূচক গোলটি করেন এনজো। ২০২২-এর পর এই প্রথম এফএ কাপের ফাইনালে ওঠার স্বাদ পেলো আটবারের চ্যাম্পিয়নরা।

চেলসির ভক্তদের জন্য এদিনের জয়টি ছিল অনেক স্বস্তির। প্রিমিয়ার লীগে টানা পাঁচ ম্যাচে গোলশূন্য হারের জেরে চার দিন আগেই বরখাস্ত হন কোচ লিয়াম রোজেনিয়র। তার জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান ক্যালাম ম্যাকফারলেন। ডাগআউটে তার প্রথম ম্যাচেই কাঙ্ক্ষিত জয় দল পেলো তার দল। লীগের দুই দেখায় লিডসকে হারাতে না পারলেও অন্য টুর্নামেন্টের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেই ক্ষতে প্রলেপ দিলো চেলসি।
ম্যাচ শেষে গোলদাতা এনজোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন ম্যাকফারলেন। রিয়াল মাদ্রিদের প্রশংসা করায় ক্লাব থেকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেই গোল করলেন এনজো। দলের নিয়মিত অধিনায়ক রিস জেমসের অনুপস্থিতিতে আর্মব্যান্ড ছিল তার হাতেই। কোচ বলেন, ‘এনজো একজন জাত বিজয়ী। তার মধ্যে ফুটবলের দারুণ প্রতিভা ও লড়াকু মানসিকতা রয়েছে। সে দলের জন্য বিশাল এক শক্তি। তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো, সে সব ধরনের কাজ করতে পারে। যখন খেলা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তার ভেতরের লড়াইটা দেখা যায়।’

বল দখল ও আক্রমণে চেলসিকে চাপে রাখলেও জালের দেখা পায়নি লিডস। চেলসি রক্ষণভাগে জোরেল হাটোর বদলে অভিজ্ঞ তোসিন আদাবায়োকে খেলানোর সিদ্ধান্তটি কাজে লেগেছে বলে জানান কোচ। এর আগে শনিবার প্রথম সেমিফাইনালে সাউদাম্পটনকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। আগামী ১৬ই মে এই ওয়েম্বলিতেই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে সাতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে নামবে চেলসি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন