পতিত জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করবো: আইনমন্ত্রী

পতিত জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করবো: আইনমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষিবিপ্লব ঘটাতে চাই আমরা। তাই বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এবং তেল আমদানির বিকল্প হিসেবে প্রত্যেক জেলায় পতিত জমির সদ্বব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করবো। আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে তা বাস্তবায়ন দেখা যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। গত শুক্রবার বিকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে “কেমন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল চাই” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, সবাই স্বপ্নের পাহাড় নিয়ে এসেছেন।

সেই স্বপ্ন, চিন্তা ও শ্রম শৈলকূপাসহ দেশের সব অঞ্চলে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাবো। এক্ষেত্রে এ অঞ্চলের সুবিধার্থে রেললাইন বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবো এবং একইসঙ্গে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু তৈরিতে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, শিল্পায়নে প্রভাব পড়বে কি না তা ভাবছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে মানুষের ভোটের কালির দাগ মুছে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তার কথা রেখেছেন। তিনি বলেছিলেন, ক্ষমতায় গেলে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করবেন। আমরা প্রায় ১১ লাখ কৃষকের দেড় হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি।

আমরা প্রথম দিনেই ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করে ৩৮ হাজার ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করেছি। তিনি আরও বলেন, আমরা দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হতে চাই। রাজনৈতিক বিরোধ এটা আদর্শিকভাবে থাকবেই। কিন্তু আমাদের চিন্তার ঐক্য, ভাবনা কিন্তু এই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিয়ে। এই উন্নয়নকে ধারণ করেই একে অন্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাবো। আমরা বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছি সেই পথ ধরে হেঁটে যেতে চাই। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের সভাপতি এবং সিনিয়র সচিব (পিআরএল) ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অতিথি হিসেবে ছিলেন, ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

এ সময় কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাব, জিয়া পরিষদ, সাদা দল ও শাখা ছাত্রদল, শিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও জুলাই শহীদ ইয়ামিনের পিতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন