সচল হলো ৪৬ ঘণ্টা পর

ফন্ট সাইজ:

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১নং ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রায় ৪৬ ঘণ্টা পর পুনরায় চালু হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ৮টা ৭ মিনিটে ইউনিটটি চালু হয় বলে জানান কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, গত ২২শে এপ্রিল রাত ১০টা ২ মিনিটে কয়লার সঙ্গে বড় আকারের পাথর প্রবেশ করে বয়লারের টিউব ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ১ নম্বর ইউনিটটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। ওই ইউনিট থেকে তখন ৫০-৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল। ফলে কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটের উৎপাদনই বন্ধ হয়ে পড়ে এবং দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আট জেলায় তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়। ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০০৬ সালে উৎপাদন শুরু করে।

শুরুতে দু’টি ১২৫ মেগাওয়াট ইউনিট থাকলেও ২০১৭ সালে আরও একটি ২৭৫ মেগাওয়াট ইউনিট যুক্ত হয়। তবে যান্ত্রিক জটিলতার কারণে কেন্দ্রটি কখনোই পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারেনি। বর্তমানে কেন্দ্রটির ৩য় ইউনিট (২৭৫ মেগাওয়াট) ২০২৪ সালের ১লা নভেম্বর থেকে এবং ২য় ইউনিট (১২৫ মেগাওয়াট) ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। ১ম ইউনিটটি গত ২২শে এপ্রিল রাত ১০টায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লার ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রটি নির্মিত হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকায় খনিতে উত্তোলিত কয়লা ইয়ার্ডে জমে থাকছে। প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে ৪৬ ঘণ্টা ৫ মিনিট পর ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে এই ইউনিট থেকে প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।



ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন