পাট, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন- মূলত গ্যাস সংকটের কারণেই লোডশেডিং বেড়েছে। শুক্রবার দুপুরে সিলেটে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন- সরকারের বয়স মাত্র ২ মাস। কিন্তু অনেকগুলো অব্যবস্থাপনা ও অরাজকতা উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করেছি। তা আমাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন এখনো গ্যাস নির্ভর। এই গ্যাসও আমদানি করতে হয়। দেশে মাত্র ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হয়। আর ৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। কিন্তু অর্থের সংস্থান হলেও কিছু সমস্যার কারণে চাহিদামাফিক গ্যাস আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে না।
ফলে লোডশেডিং বেড়েছে। সরকার এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এলএনজি আমদানি ক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন টার্মিনাল তৈরির জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় টেন্ডারে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। শুক্রবার দুপুরে সিলেটের সদর উপজেলার মাসুকগঞ্জ বাজারে বাসিয়া খাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন। আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়লেও মূল্যস্ফীতিতে তার তেমন প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, দেশে ডিজেলের দাম মাত্র ১৫ শতাংশ বেড়েছে। অথচ আশপাশের যেকোন দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বাংলাদেশ থেকে বেশি। আমরা সতর্কভাবে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি করেছি। যাতে জনগণের উপর বেশি অভিঘাত না পড়ে। মন্ত্রী বলেন, ১৫ শতাংশ দাম বৃদ্ধির ফলে একটি ট্রাক যদি ২০০ কিলোমিটার পণ্য পরিবহন করে যায় তাহলে কেজি প্রতি পণ্যমূল্য ৩০ পয়সা বাড়তে পারে। এটুকু বৃদ্ধি সত্যিকার মূল্যস্ফীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। এ সময় তিনি বলেন, বাড়তি মূল্যে জ্বালানি আমদানি করলেও তার অভিঘাত জনগণের উপর পড়বে না। সকরার তা ম্যানেজ করবে।
