সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কৃষি ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় আইন অনুযায়ী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ আছে।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান বলেন, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলো।
মনিরা শারমিন সাংবাদিকদের বলেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। সহকারী রিটার্নিং কর্মকতা ইসির উপসচিব মনির হোসেন বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। এরপর আসনটি শূন্য হলে সব দল/জোটের জন্য উন্মুক্ত হবে।
ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটে জামায়াত জোটের ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। গতকাল বুধবার বাছাইয়ে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়। মনিরার মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়। আজ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

এম.টি রক্সি
২ মাস আগেতাঁরা কি আইন জানে না? নাকি বুঝে না? সরকারী চাকরীর অবসরের কতদিন পরে নির্বাচন করতে পারে। তা এনসিপি বা ১১ দলীয় জোট জামায়াতে ইসলামী তা জানে না তা কি করে হয়! তাঁরা নাকি ক্যাডার ভিত্তিক দল? নাকি জেনেই তাঁকে মনোনিত করেছিলো এনসিপিকে খুসি করার জন্য?