জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি ও সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। নগরীর কদমতলীস্থ কেন্দ্রীয় টার্মিনাল সংলগ্ন জেলা সড়ক পরিবহন বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাস- মিনিবাস মালিক সমিতি, জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন পরিবহন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা সড়ক পরিবহন বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রহীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি হিরন মিয়া, আবুল হাছান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শেখ এমরান হোসেন ঝুনু, যুগ্ম সম্পাদক আবেদ চৌধুরী তারেক, অর্থ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল জিতু ও সদস্য শেখ আব্দুল মতিন, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া মবু, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, আন্তঃজেলা রোড কমিটির প্রবীণ সদস্য মো. নূর মিয়া, জেলা বাস- মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, আন্তঃজেলা রোড কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ তপু, কোষাধ্যক্ষ লিলু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাছান, জেলা বাস-মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য মো. শেখ ফরিদ আলী, শ্রমিক নেতা আহসান ইব্রাহিম ও সাইফুল ইসলাম।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, গত কয়েক বছরে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি গাড়ির যন্ত্রাংশের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়লে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়নি। সম্প্রতি জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে পরিবহনের ব্যয় কয়েকগুণ বেড়েছে। এরপর জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরও সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া সমন্বয়ের কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ভাড়া সমন্বয়ের একটি প্রস্তাবনা দেয়া হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। কিন্তু বেশি দামে জ্বালানি কিনে আগের ভাড়ায় গাড়ি চালানো পরিবহন মালিক শ্রমিকদের পক্ষে সম্ভব নয়। ভাড়া সমন্বয়ে কালবিলম্ব করলে মালিক শ্রমিকরা তাদের পরিবহন বন্ধ রাখতে বাধ্য হবেন।
