‘রেকর্ড’ জয়ের দিন স্টার্লিংকে টপকে সিংহাসনে টাকার

‘রেকর্ড’ জয়ের দিন স্টার্লিংকে টপকে সিংহাসনে টাকার

ফন্ট সাইজ:

নিয়মিত অধিনায়ক পল স্টার্লিং ছিটকে পড়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লরকান টাকার। ওমানের বিপক্ষে দলের রানের পাহাড় গড়ার দিন বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন তিনি। গতকাল স্রেফ ৬ রানের জন্য দূরে থাকলেন সেঞ্চুরি থেকে। তবে দুর্দান্ত ইনিংসটি খেলার পথে স্টার্লিংকে টপকে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন তিনি। ওমানের বিপক্ষে ৯৬ রানের জয়ের দিন বেশ কিছু কীর্তিও গড়লো আয়ারল্যান্ড। কলম্বোর এসএসসিতে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ২৩৫ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় রান এটি। এমনকি এ সংস্করণের বিশ্বকাপ ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এটিই! ২০০৭-এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ তোলে শ্রীলঙ্কা। রান তাড়ায় ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে থামে ওমানের ইনিংস। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের মধ্যে এটিই ওমানের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। সবগুলো ম্যাচেই হেরে ‘বি’ গ্রুপ থেকে বিদায়ও নিশ্চিত হয় দলটির।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে এদিন শেষ ১০ ওভারেই ১৫৬ রান তোলে আইরিশরা, যার শেষ ৬ ওভারেই ১১১! চারে নেমে ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় শেষ পর্যন্ত ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন টাকার। আইরিশ অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসটি এখন তার। ২০১৯-এ আফগানিস্তানের বিপক্ষে স্টার্লিংয়ের করা ৯১ রান ছিল এতদিনের সর্বোচ্চ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার ক্রিস গেইলের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংসও এখন টাকারের দখলে। এ ইনিংসে আড়াই বছর আগের স্মৃতিও ফেরান ২৯ বছর বয়সী টাকার। ২০২৩-এর জুলাইয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে কাটায় কাটায় ৫১ বলে ৯৪ রানেই অপরাজিত ছিলেন এ তারকা ব্যাটার। যদিও শুরুটা ভালো ছিল না তাদের। পঞ্চম ওভারে ৪৫ রানেই ৩ উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। আরেকটি উইকেটের পতনের পর গ্যারেথ ডিলানিকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন টাকার। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে ৫৬ বলে দু’জন মিলে যোগ করেন ১০১ রান। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৬ রান করে আউট হন ডিলানি। ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে তো তাণ্ডব শুরু করেন টাকার ও জর্জ ডকরেল। স্রেফ ১৯ বলে স্কোরকার্ডে যোগ হয় ৭০ রান! ৯ বল খেলে তার ৫টিতেই ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৫ বলে অপরাজিত থাকেন ডকরেল।

রান তাড়ায় শুধু তৃতীয় উইকেটের জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে পারে ওমান। আমির কলিম ও হাম্মাদ মিরজা মিলে স্কোরকার্ডে যোগ করেন ৪৯ বলে ৭৩ রান। কলিম (২৯ বলে ৫০) ও মির্জা (৩৭ বলে ৪৬) বিদায় নিলে শেষ হয় ওমানের আশাও।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন