শান্তি আলোচনায় হরমুজ নিয়ে টানাপড়েন

শান্তি আলোচনায় হরমুজ নিয়ে টানাপড়েন

ফন্ট সাইজ:

হরমুজ প্রণালি ও লেবানন ইস্যুতে যত টানাপড়েন| এর ফলে থমকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা| পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শনিবার বিকেলে আলোচনা শুরু হলেও বিভিন্ন দাবিতে উভয় পক্ষ অনড় অবস্থানে ছিল| গত রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে প্রথম দফার বৈঠক শেষ হয়েছে| তারা নিজেদের মধ্যে নথি বিনিময় করেছেন| এরপরই টেকনিক্যাল লেভেলে আলোচনা শুরু হয়ে তা চলছিল| কিন্তু যুদ্ধের ভয়াবহতা ও ইস্যুগত জটিলতায় এই আলোচনাকে রোববারও অব্যাহত রাখার জন্য চাপ দিচ্ছিল পাকিস্তান| ইসলামাবাদে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা সেরেনা হোটেলে দু’পক্ষ যখন আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করেন| বলেন, তারা যুদ্ধে হেরে গেছে| এ ছাড়া ঐতিহাসিক হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণ করে তাতে জাহাজ চলাচলের জন প্রস্তুত করছেন বলেও জানান তিনি| জবাবে ইরান সতর্ক করে বলে, হরমুজে জাহাজ অতিক্রম করার ৩০ মিনিটের মধ্যে তাতে হামলা করবে ইরান| অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন| এরপর পরই ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে সাইরেনের শব্দ শোনা যায়| ফলে সব মিলে শান্তি সংলাপ থমকে আছে| কখনো কখনো তা আশার আলো দেখালেও বার বার তা নিষ্প্রভ হয়ে যায়| এরই মধ্যে টানা বৈঠক চলছিল| ইরানি প্রতিনিধি দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র আল জাজিরাকে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি খুব বেশি উচ্চাভিলাষী| ফলে আলোচনা দৃশ্যত থমকে ছিল| রাতের কখন ওই আলোচনা শেষ হবে সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ধারণাও দেয়া হয়নি| আলোচনা কি রোববারও অব্যাহত থাকবে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তার দেশে ফেরা বিল¤ি^ত করবেন কিনা- কোনো তথ্যই স্পষ্ট পাওয়া যাচ্ছিল না|
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধ যখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নেয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তখন ৪৭ বছর পর এক দেশের শীর্ষ নেতারা অন্য দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসলেন| ১৯৭৯ থেকে ২০২৬ সাল| এর মধ্যে কমপক্ষে ৪৭টি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে| দুই দেশের নেতাদের একের সঙ্গে অন্যের মুখ দেখাদেখি নেই| ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ইরান| সেই অবস্থা এখনো বর্তমান| অবশেষে এবারের অপারেশন এপিক ফিউরির পর সেই জানালা খুলে গেছে| জাতিসংঘ, ইসলামিক দেশগুলোর সংগঠন ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক জোটগুলো যখন নীরব তখন দুঃসাহস দেখিয়েছে পাকিস্তান| তারা উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে যুদ্ধবিরতির সংলাপে বসাতে পেরেছে| এর আগে ৮ই এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের পক্ষ থেকে| তার জন্য অবশ্য তাদেরকে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে| এ কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তান নিজেকে অনেকটা উপরে তুলতে সক্ষম হয়েছে| তারপরও যদি দুই দেশ ইসলামাবাদ সংলাপ থেকে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, সেটা হবে পাকিস্তানের কূটনীতির আরেকটি বড় বিজয়| একদিকে যখন ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা চলছিল তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ইরানকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে অভিহিত করেন| বলেন, তারা ভয়াবহভাবে পরাজিত হয়েছে| একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন অপসারণ করে তা জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেন তিনি| মিডিয়ার খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বেশ কয়েকটি জাহাজ ওই প্রণালি দিয়ে অতিক্রম করেছে| তবে ইরান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে| পক্ষান্তরে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে| বলেছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করলে ৩০ মিনিটের মধ্যে তাতে হামলা করবে তারা| শান্তি আলোচনার মধ্যে ট্রাম্পের ওই জাতীয় মন্তব্যের জন্য তার আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে| গত রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই শান্তি আলোচনার ফল কি তা জানা যায়নি|
ওদিকে শান্তি আলোচনা নিয়ে প্রথমে বলা হয়, আলাদা আলাদা রুমে অবস্থান করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা| তাদের মধ্যে তথ্য বিনিময় করবে পাকিস্তান| কিন্তু বার্তা সংস্থা রয়টার্স, ডনসহ বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হয়, এ অবস্থান থেকে সরে আসেন প্রতিনিধিরা| শেষ পর্যন্ত তারা একই কক্ষে সরাসরি ও মুখোমুখি সংলাপ শুরু করেন| সেখানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীরা|
সরাসরি আলোচনা শুরুর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষ করেন| এই দলে নেতৃত্ব দেন ইরানি পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি| পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী ইরানের অংশগ্রহণ ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেছেন| তিনি পাকিস্তানের ‘সৎ ও আন্তরিক অঙ্গীকার’ পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে, যাতে আঞ্চলিক ও ˆবশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে অর্থবহ অগ্রগতি অর্জন করা যায়| বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শোহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- উভয়পক্ষের সঙ্গেই পৃথক দ্বিপক্ষীয় ˆবঠক করেছেন| এতে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন রাজা নাকভি|
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শনিবার পাকিস্তানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন| মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজতে ইরানি নেতৃত্বের সঙ্গে ঐতিহাসিক আলোচনায় অংশ নিতে ভ্যান্স ও তার প্রতিনিধিদল সকালে পাকিস্তানে পৌঁছান| পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাই জারেড কুশনার সহায়তা করেন| বিবৃতিতে বলা হয়, উভয়পক্ষের গঠনমূলক অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই আলোচনা ওই অঞ্চলে টেকসই শান্তির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে কাজ করবে| এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, পাকিস্তান এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুই পক্ষকে সহায়তা করতে তার ভূমিকা অব্যাহত রাখতে চায়| এই বৈঠকে  প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করেন উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন রাজা নাকভি|
এই আলোচনা শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দুই সপ্তাহের বিরতির মধ্যে| ২৮শে ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক  অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে| ৮ই এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হয়|
শনিবার সকাল ১১টার কিছু পর ভ্যান্স নূর খান বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেন| সেখানে তাকে  স্বাগত জানান ইসহাক দার, মহসিন নাকভি এবং চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির| পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দার যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে পক্ষগুলো গঠনমূলকভাবে আলোচনায় অংশ নেবে|
লেবাননে ইসরাইলি হামলা নিয়ে শেষ মুহূর্তের জট কাটার পর শনিবার সকালে ইরানি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছায়| তেহরান শর্ত দিয়েছিল— লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা আলোচনায় অংশ নেবে না| পাকিস্তান জানায়, এই বিষয়টি যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে| মার্কিন প্রতিনিধিদলে ভ্যান্স ছাড়াও আছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ| এ ছাড়া মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারাও এই দলে রয়েছেন| ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ| দলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি| ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিমের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন সুপ্রিম ন্যাশনাল ডিফেন্স কাউন্সিলের সচিব আলি আকবর আহমাদিয়ান এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দোল নাসের হেম্মতি| এই আলোচনা ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে প্রথম সরাসরি উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ|
একপর্যায়ে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়| কারণ ইরান জোর দিয়ে বলে— লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধ না হলে তারা আলোচনায় বসবে না| শুক্রবার গালিবাফ স্পষ্ট করে বলেন, তেহরানের অংশগ্রহণ নির্ভর করছে দু’টি শর্তের ওপর— লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং বিদেশে জব্দ থাকা প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্ত করা| এক ইরানি কর্মকর্তা বলেন, আমরা ˆবরুতে হামলা বন্ধ করতে বাধ্য করেছি এটিকে আলোচনায় ‘লাল রেখা’ হিসেবে তুলে ধরে| আবার হামলা হলে আলোচনা বন্ধ হয়ে যাবে|
প্রধান বিরোধের বিষয়গুলো:
ইরান বলছে, যুদ্ধবিরতি সব ফ্রন্টে প্রযোজ্য হতে হবে, যার মধ্যে হিজবুল্লাহ অন্তর্ভুক্ত| কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল লেবাননের হামলাকে এই চুক্তির বাইরে রাখছে| এই মতপার্থক্য বারবার আলোচনাকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলছে| ওয়াশিংটন থেকে রওনা হওয়ার আগে ভ্যান্স বলেন, এই আলোচনা ইতিবাচক হতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্র আন্তরিকভাবে আলোচনা করতে প্রস্তুত| তবে তিনি সতর্ক করেন, সময়ক্ষেপণমূলক কৌশল গ্রহণ করা হলে যুক্তরাষ্ট্র তা মেনে নেবে না| অন্যদিকে ট্রাম্প কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, ইরানের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই এবং আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক অভিযান আবার শুরু হতে পারে| তিনি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা অব্যাহত রাখার জন্য ইরানের সমালোচনাও করেন|
পাকিস্তানের ভূমিকা:
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান আলোচনা সফল করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে| তিনি এই আলোচনাকে সংলাপের মাধ্যমে জটিল সমস্যাগুলো সমাধানের একটি সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেন, তবে কাজটি কঠিন হবে বলেও স্বীকার করেন| আলোচনা ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে হলেও দুই পক্ষের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়ে গেছে| যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে নিয়ন্ত্রণ, পারমাণবিক উপাদান অপসারণ| অন্যদিকে ইরান চাইছে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পারমাণবিক অধিকারের স্বীকৃতি, হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনায় কাঠামো, জব্দকৃত অর্থে প্রবেশাধিকার| এ ছাড়া আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠী, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং সমঝোতার ধাপগুলো নিয়েও বিরোধ রয়েছে|
কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকদের মতে, এত বিস্তৃত ইস্যুর কারণে দুইদিনের এই প্রাথমিক বৈঠকে বড় অগ্রগতি আসার সম্ভাবনা কম| সর্বোচ্চ ক্ষেত্রে এটি ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ তৈরি করতে পারে বা উত্তেজনা কমানোর কিছু প্রাথমিক সমঝোতা হতে পারে| তবুও ইসলামাবাদে এই বৈঠক  একটি বিরল কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি  করেছে| তবে লেবাননে চলমান সহিংসতা, উপসাগরে জাহাজ চলাচলের সমস্যা এবং ওয়াশিংটন-তেহরানের গভীর অবিশ্বাসের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি এখনো চাপে রয়েছে|

A R Sarker

২ মাস আগে

মন্তব্যের কোনো ভাষা পাচ্ছি না। তবে উত্তেজনা থেকেই গেলো এটাই বিচলিত করছে সবাইকে। এখন আল্লাহই ভরসা।

Binsuwaidi

২ মাস আগে

Trump fit fot wwf wrestling not president. All amerikan are idiot bcoz why they choose him.

মন্তব্য করুন