হাঙ্গেরির জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ। মধ্য ইউরোপের এই দেশটির নির্বাচন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের জন্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনে লড়বে ক্ষমতাসীন ফিদেজ দলের ভিক্টর অরবান এবং বিরোধী দল তিসজের পিটার মাগিয়ার।
ক্ষমতাসীন ভিক্টর অরবান ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। অরবানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও। টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর এই নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার প্রবল আশঙ্কায় রয়েছেন অরবান। বিভিন্ন জরিপে বিরোধীদলীয় প্রার্থী পিটার মাগিয়ারকে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। এতে অরবানের পাশাপাশি চিন্তিত যুক্তরাষ্ট্রও। অরবানের পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ উত্তেজনা যখন তুঙ্গে এর মাঝেই ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে বুদাপেস্টে পাঠায় ট্রাম্প। ভ্যান্স তার ভ্রমণে অরবানকে জোর সমর্থন জানান। পাশাপাশি তিনি ব্রাসেলসের ব্যুরোক্রেটদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের দায়ে অভিযুক্ত করেন। ব্রাসেলসের ব্যুরোক্রেট শব্দটি দিয়ে তিনি ইউরোপিয়ান কমিশনকে ইঙ্গিত করেছেন। তার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ডিজিটাল নজরদারি এবং সামাজিক মাধ্যমগুলো থেকে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ। এ খবর দেন অনলাইন গার্ডিয়ান। এই নির্বাচন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ অনেক। ট্রাম্প প্রশাসন হাঙ্গেরিতে অরবান এবং তার আদর্শিক কাঠামো ট্রাম্প প্রশাসনের সমমনা ইউরোপ গড়ার প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখে। যার মূলমন্ত্র হচ্ছে প্রগতিশীলতাবিরোধী, পরিবেশবাদবিরোধী এবং অভিবাসীবিরোধী।
ইউরোপে ট্রাম্পিয়ান বিপ্লব ঘটাতে চায় মার্কিন প্রশাসন। যেকোনো মূল্যে তারা ভিক্টর অরবানের জয় দেখতে চান। অপরদিকে হাঙ্গেরির সাধারণ মানুষেরা পরিবর্তন দেখতে চায়। অরবানের দুর্নীতি, উগ্র ডানপন্থা তাদের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হাঙ্গেরির বহুল আলোচিত নির্বাচন আজ
মানবজমিন ডেস্ক
১২ এপ্রিল (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
