কুষ্টিয়ায় স্কুল ভবন থেকে অচেতন কিশোরী উদ্ধার ধর্ষণের আলামত

ফন্ট সাইজ:

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় একটি স্কুল ভবন থেকে রাতে অচেতন অবস্থায় এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার শেষে তাকে প্রথমে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই কিশোরী হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এদিকে পুলিশ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিদ্যালয়ের দুই কর্মচারীকে আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী (১১) মিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর থেকে সে নানাবাড়িতে বসবাস করে আসছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিদ্যালয়ে যায়। অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে মেয়েটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে জানান। একইসঙ্গে স্কুল ভবনের চাবি দিতেও অস্বীকৃতি জানান। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তার কাছ থেকে চাবি নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করেন। পরে বিদ্যালয়ের তৃতীয়তলার একটি কক্ষ থেকে কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক হোসেন ইমাম বলেন- পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর মা জানান, অনুষ্ঠান শেষে মেয়ে শ্রেণিকক্ষে ব্যাগ আনতে গিয়েছিল। এরপর তৃতীয়তলায় যায়। তারপর কী ঘটেছে, সে এখনো কিছু বলতে পারছে না। জ্ঞান ফেরার পর কিশোরী গণমাধ্যমকর্মীদের জানায়, সে সিঁড়ির কাছে বসে ছিল। এরপর আর কিছু মনে নেই। ভুক্তভোগীর মামা বলেন, বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করছি। সঠিক বিচার না পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবো। মিরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন- লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন