পাকিস্তানের পথে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

পাকিস্তানের পথে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

ফন্ট সাইজ:

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সংলাপে যোগ দিতে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে বিমানে চড়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। রয়টার্সের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ডন।

ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে সংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক বৈঠকের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভ্যান্স। পাশাপাশি তিনি তেহরানকে লক্ষ্য করে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চালাকি করলে তেহরানের কোনো শর্ত গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিশ্ব রাজনীতিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপ এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শনিবার ইসলামাদে সংলাপে বসতে পারে এ দুই দেশ। ভ্যান্স বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েই তাকে এই সংলাপে পাঠিয়েছেন।

সর্বোচ্চ সতর্কতায় ইসলামাবাদ:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনাকে সামনে রেখে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে জারি করা হয়েছে ‘রেড অ্যালার্ট’। সফররত প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ ও নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, বহু পদক্ষেপের এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার তত্ত্বাবধানে থাকবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। তাদের সহায়তায় থাকবে রেঞ্জার্স, ইসলামাবাদ ও পাঞ্জাব পুলিশ। পাশাপাশি, সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করবে ইসলামাবাদ ট্রাফিক পুলিশ ও ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড মোটরওয়ে পুলিশ।

নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে প্রায় ৬ হাজার রাজধানী পুলিশের সদস্য, ৯০০ ফ্রন্টিয়ার কনস্ট্যাবুলারি এবং ৩ হাজার পাঞ্জাব কনস্ট্যাবুলারি। এ ছাড়া রেঞ্জার্স ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছেন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকবেন প্রায় ১ হাজার পুলিশ কর্মকর্তা।

রাজধানীর ‘রেড জোন’ ও উচ্চ নিরাপত্তা এলাকাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী ও রেঞ্জার্স। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাসদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে রাখা হয়েছে কুইক রেসপন্স ফোর্স। মারগাল্লা পাহাড় এলাকাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

রেড জোনে প্রবেশের সব পথ বন্ধ রাখা হয়েছে, শুধুমাত্র মারগাল্লা রোড দিয়ে অনুমোদিত ব্যক্তি ও বাসিন্দারা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতিনিধিদের বিমানবন্দর থেকে আবাসস্থলে যাওয়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে পৃথক রুট, যেখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও ‘ব্লু বুক’ প্রটোকল নিশ্চিত করা হবে।

ভিভিআইপি নিরাপত্তায় নিয়োজিত টিমগুলোকে মোবাইলফোন বা ডিজিটাল ঘড়িসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহনের অনুমতি দেয়া হয়নি।
এ ছাড়া, উচ্চ নিরাপত্তা এলাকাগুলোতে অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রাজধানী প্রশাসন অগ্নিনির্বাপণ, এম্বুলেন্স, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, আলোকসজ্জা এবং খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে ফয়সাল এভিনিউ থেকে জিরো পয়েন্ট এবং এক্সপ্রেসওয়ে থেকে কোরাল চৌক পর্যন্ত সড়ক বন্ধ রাখা হবে। প্রতিনিধিদের চলাচলের সময় বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

রাওয়ালপিন্ডিগামী যানবাহনকে বিকল্প হিসেবে ৯ম এভিনিউ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ভারা কাহু, বানিগালা ও কোরাং রোড হয়ে চলাচলের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সর্বোপরি, ইসলামাবাদ এখন কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো, কারণ এই আলোচনাকে ঘিরে পুরো বিশ্বের দৃষ্টি এখন পাকিস্তানের দিকে।

<•~•>

২ মাস আগে

[!] “A, JD Vance and The-Trump” [?]:
A swift resolution to the longstanding conflict between the United States and Iran is conceivable. How? If Mr. JD Vance were to embrace Islam, he could propose “The Trump” to follow him to effectively initiating a new era of peace. The global community would witness a moment of tranquility, leading to a bountiful outcome.
It is important to note that a well-versed Christian comprehends the intricacies of Christianity while acknowledging the virtues of all religions. Conversely, a devout Muslim firmly believes that they serve as the custodians of all religions. To fulfill this role, one must possess an exceptionally high-level of wisdom. Without such wisdom, it is impossible to be a true Muslim. Therefore, the leaders from Iran must be matched by the counterparts who possess equal intelligence and an exceptional quality of wisdom. Otherwise, this peace negotiation meeting will likely fail to achieve a lasting peace agreement [!/?].

মন্তব্য করুন