অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা আরও ৩১টি অধ্যাদেশ বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও কয়েকটি বিল পাস করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিরোধী দল। এর প্রতিবাদে সংসদের অধিবেশন থেকে আবারো ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। ওদিকে বিল পাসের সমস্ত প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল অংশগ্রহণ করায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সমস্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পরে ওয়াকআউটের কোনো মানে আছে কিনাÑ এমন প্রশ্নও তুলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে মাগরিবের বিরতির পর পুনরায় অধিবেশনে অংশ নেয় বিরোধী দল।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এসব বিল পাস হয়। বিলগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রী উত্থাপন করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ওদিকে বিলগুলো পাস শেষে সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকারের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল ২০২৬ সহ কয়েকটিতে আপত্তি জানায়। সেগুলো আলোচনা করে পাস করারও দাবি জানায় তারা। কিন্তু তাদের দাবি না মেনে বিলগুলো পাস করার প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল।
বিরোধী দলের নেতা ওয়াকআউট ঘোষণা দিয়ে জোটের সংসদ সদস্যদের নিয়ে অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে কিছু বলার সুযোগ দেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি ধন্যবাদ জানানোর জন্য উঠেছি। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার ফার্স্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং, থার্ড রিডিং, সব রিডিংয়ে উনারা সহায়তা করেছেন। কেউ কেউ হাত তুলে সমর্থনও দিয়েছেন। সমস্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পরে ওয়াকআউটের কোনো মানে আছে কিনাÑ এটা জানার বিষয়। সমস্ত প্রক্রিয়ায় তারা অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি, মাগরিবের নামাজের পর তারা আবার অংশগ্রহণ করবেন।
ওয়াকআউট করা কি অপরাধ, বিরোধী নেতার প্রশ্ন: সংসদ থেকে ওয়াকআউট করা কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে কিনা- স্পিকারের কাছে এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এই প্রশ্ন তুলেন। এর আগে বিকালে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল ২০২৬ পাসের প্রতিবাদে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছিল।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আগেই বলেছি, যে বিষয়টি যৌক্তিক মনে করবো তাতে একমত হবো এবং সহযোগিতা করবো। কিন্তু যা আমাদের যুক্তিতে ধরবে না, সেটার বিরোধিতা করবো। এটি আমাদের দায়িত্ব এবং অধিকার। আমি একটু জানতে চাচ্ছি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করা কি কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে?
ওয়াকআউটকে গণতান্ত্রিক অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সকলেই জানি এটি ডেমোক্রেটিক রাইট অ্যান্ড প্র্যাকটিস। আমাদের অধিকার আছে এবং সেই অধিকার বলেই আমরা যা উপযুক্ত মনে করেছি, তা-ই করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলোÑসিনিয়র সদস্যরা যারা আগেও পার্লামেন্টে ছিলেন, তারা আমাদের শেখাবেন। কিন্তু আমরা চলে যাওয়ার পর যদি সরাসরি (নেতিবাচক) কমেন্ট করা হয়, তবে সংসদীয় পরিবেশ ক্ষুণ্ন হয়। সরকারি দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, আমার জানার বিষয় আমরা কি সরকারি দলকে জিজ্ঞেস করে ওয়াকআউট করবো এবং আবার ফিরে আসবো?
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ কথা বলতে চাইলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাকে বারবার বসার অনুরোধ করেন। ডেপুটি স্পিকার বলেন, আপনি দয়া করে বসুন, আমরা দিনের কার্যসূচিতে যাবো। যেহেতু বিরোধী দলের নেতা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেজন্য তাকে ফ্লোর দেয়া হয়েছে। আপনি অনুগ্রহ করে বসুন।
৩১টি বিল সংসদে পাস: অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো অবিকল রেখে ২৮টি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। অধ্যাদেশ রহিত করে পাস করা হয়েছে আরও দু’টি বিল। এছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করে ২০০৯ সালের ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনঃপ্রচলন করে আনা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। অধিবেশনে বিলগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রী উত্থাপন করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ অবিকল রেখে পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে- ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ এবং ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬’, ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল ২০২৬, বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল ২০২৬, উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল-২০২৬, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল-২০২৬, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল- ২০২৬, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল- ২০২৬।
‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করা ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করা সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়। এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়।
সরকার পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: বর্তমান সরকার পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি এর মাধ্যমে রপ্তানিযোগ্য বহুমুখী পাটজাত পণ্য উৎপাদনের জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। অধিবেশনে নওগাঁ-৬ আসনের সরকারি দলের সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি জানান, পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৈচিত্র্য, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং কাঁচাপাটের গুণগত মান উন্নয়নে ঢাকা ও খুলনার দু’টি পাটপণ্য পরীক্ষাগার আধুনিকায়ন এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও বীজ উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানসম্মত পাটজাত পণ্য রপ্তানি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পাটজাত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের নগদ ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৩৮টি দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি করা হয়। দেশগুলো হলোÑ চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, পাপুয়া নিউগিনি, তুরস্ক, মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, ভারত, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, জাপান, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, লিবিয়া, ডেনমার্ক, ব্রাজিল, হল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, হাংগেরী, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিলি, রোমানিয়া, কানাডা, পেরু, শ্রীলংকা, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, নেপাল।
ঢাকা-১৮ নির্বাচনী এলাকার যানজট নিরসনে বিআরটি প্রকল্পের পাশাপাশি এসি বাস নামানোর প্রক্রিয়া চলছে: রাজধানীর ঢাকা-১৮ নির্বাচনী এলাকার যানজট নিরসনে সরকারের নেয়া বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের কথা জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে। এই এলাকায় যানজট কমাতে বিআরটি (ইজঞ) প্রকল্পের পাশাপাশি ৩৪০টি নতুন সিএনজিচালিত এসি বাস নামানোর প্রক্রিয়া চলছে। অধিবেশনে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব তথ্য জানান। গতকাল প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্তরটি উত্থাপিত হয়।
মেট্রোরেল (এমআরটি) লাইন-১: ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ৬টি মেট্রোরেল নির্মাণের সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। এর আওতায় এয়ারপোর্ট হতে কুড়িল পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১ এর নির্মাণ কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এই লাইনটি চালু হলে ঢাকা-১৮ এলাকার যানজট অনেকাংশে কমে যাবে।
বিআরটি প্রকল্প: এয়ারপোর্ট হতে গাজীপুর পর্যন্ত ২০.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান সড়কটিকে ৮-লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এ ছাড়া এয়ারপোর্ট-১ ও ২, জসীমউদ্দীন, গাজীপুরা ইউ-টার্নসহ মোট ৮টি ফ্লাইওভার এবং ৪.৫ কিমি উড়াল সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়িত হলে মাত্র ৩৫-৪০ মিনিটে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
ভারত থেকে আসা ২০০ ব্রডগেজ কোচ শিগগিরই রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে: ভারত থেকে আমদানি করা ২০০টি ব্রডগেজ কোচ শিগগিরই বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (ইআইবি) অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ কোচ সরবরাহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে এসব কোচ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, কোচগুলো সরবরাহ পাওয়ার পর নতুন ট্রেন চালু ও রুট নির্ধারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
ওদিকে শিগগিরই এসি বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা প্রণয়ন করা হবে। একইসঙ্গে এসব ভাড়ার তালিকা গণপরিবহনের ভেতরে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
