যে কারণে কাতার প্রশ্নে বেঁকে বসেন হাসিনা

যে কারণে কাতার প্রশ্নে বেঁকে বসেন হাসিনা

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশের গদিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো দেশে যেতে রাজি নন। তার পছন্দ ভারত। এখানেই তিনি আছেন। এখানেই থাকতে চান। এমনকি এটাও বলেছেন, মরলে মরবো ভারতেই। তাই তাকে কাতারে পাঠানোর একটা তৎপরতা ভেস্তে গেছে। অন্তর্বর্তী জমানায় হাসিনাকে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় দূতিয়ালিতে এমনই একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল । কিন্তু হাসিনা বেঁকে বসেন। বলেন, আমি এখানেই থাকবো। হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিতে যখন চাপ বাড়ছিল তখনই তাকে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে কাতার সম্মতি দেয়।

কূটনৈতিক তৎপরতা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখনই ভারত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকে বিরত থাকে। কারণ জোর করে হাসিনাকে অন্য কোনো দেশে পাঠানোর ব্যাপারে ভারতের কোনো ইচ্ছা বা অভিপ্রায় ছিল না। এখন অবশ্য হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো চাপ নেই। দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্রে মানবজমিন জানতে পেরেছে ভারত সরকারও হাসিনার নেতৃত্ব সম্পর্কে অনেকটাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী রেসে সামিল করার জন্য তারা নানাভাবেই চেষ্টা চালিয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব অন্য কাউকে দেয়া যায় কিনা তা নিয়ে পর্দার আড়ালে অনেক তৎপরতা ছিল। প্রথমে সাবের হোসেন চৌধুরীকে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হাসিনা তাতে সম্মতি দেননি। একপর্যায়ে সাবের হোসেন চৌধুরী নিজেই অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববিকে দিল্লিতে ডেকে নেয়া হয়। শেখ হাসিনার সঙ্গে ববি কথাও বলেন। শেখ হাসিনা এতেও সাঁয় দেননি।

ভারতের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তখনই তাদের তরফে বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেয়া হয়। এরপরের ঘটনা সবার জানা। নির্বাচনের পর হিসাবনিকাশ পাল্টে গেছে। পরিস্থিতি এখন উল্টো স্রোতে। দূরের একটি দেশও নতুন সমীকরণে যুক্ত হয়েছে। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক অনেকটা স্বাভাবিক হতে চলেছে। কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়েছে। দু’দেশের তরফেই সম্পর্ক নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ লক্ষ করা যাচ্ছে। ভিসা প্রক্রিয়া ফের স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে নয়। সূত্রগুলো বলছে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সামনে রেখে কৌশলগত কারণে বিজেপি সরকার ভিসা চালুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি। ২০২৪ এর ৫ই আগস্টের পর থেকে সকল প্রকার ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে চালু আছে।

(কপিরাইটের আওতাভুক্ত থাকায় কপি করা যাবে না)

আব্দুল জব্বার

৩ মাস আগে

একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কোন দেশে যাবে আর কোন দেশে যাবেনা এটা তার ইচ্ছের উপর নির্ভর করেনা। জোর করে প্রিজনভ্যানে করে তাকে বাংলাদেশে পাঠানো হোক।

আহমেদ

৩ মাস আগে

বিবাহিত মেয়ে মৃত্যুর পরে তার দাপনকাপন সব'ই স্বামীর বাড়িতে হয়। হাসিনার মৃত্যুর পরে তার দাপন কাপন ও যেনো তার স্বামীর বাড়িতে হয়।

Bahauddin

৩ মাস আগে

She should be sent back to Bangladesh to face the court asap.

Limon

৩ মাস আগে

হাসিনার দেশে হাসিনা পালিয়েছে সেখানেই থিতু হবে এটাই তো স্বাভাবিক।

Trade Consortium

৩ মাস আগে

ইতিপূর্বে হাসিনা এবং ভারত সম্পর্কে যা ভাবা হতো এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল ভারত বাংলাদেশেরঅর্থাৎ আওয়ামী লীগের সম্পর্ক স্বামী স্ত্রীর মত বিষয়টা এখন শতভাগ পরিষ্কার। মরলে ভারতেই মরবো হাসিনার এমন উক্তি নিজ ঘরে বসবাসের নৈতিক প্রমাণ। 😁😁😁

Jasem

৩ মাস আগে

She is in her motherland right now. Why should she leave India? Please, India, don't force her to leave her motherland. She is the mother of humanity, the mother of peace. Let her live in peace the remaining days of her life.

d

৩ মাস আগে

😐

A R Sarker

৩ মাস আগে

কারণ টা তাহলে বুঝা গেলো তিনি ভারতেই মরতে চান। আরও বুঝা গেল তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন কিছু মানুষ মারতে।

sattar

৩ মাস আগে

মাত্রীভুমীর মায়া কেন ছারবেন?

Shah Alam Bhuiyan.

৩ মাস আগে

স্বামী - স্ত্রীর সম্পর্ক হাসিনা কি ভূলতে পারবে? সে কারনে অন্য কোথাও তার ভাল লাগবে না এটাই স্বাভাবিক।

উজ্জ্বল

৩ মাস আগে

হাসিনা নিজের দেশেই আছে। তাই নিজ দেশ ছেড়ে সে কোথাও যাবে না।

nurul choudhury

৩ মাস আগে

India should force Hasina to go to another country for the best interest of the country.

মন্তব্য করুন