এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ অভিষেকে স্বাগতিক থাইল্যান্ডকে কাঁপিয়ে দেয়া বাংলাদেশ চীনের সঙ্গেও দারুণ লড়াই করে। তবে হার এড়াতে পারেনি। গোলশূন্য প্রথমার্ধ শেষ করার পর দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ। গতকাল থাইল্যান্ডের নন্থাবুরি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে শক্তিশালী চীন। আর টানা দুই ম্যাচে দারুণ খেলা বাংলাদেশ শূন্য হাতে মাঠ ছাড়ে। গত ২রা মার্চ সিডনিতে এশিয়ান কাপ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে একই ব্যবধানে বাংলাদেশ জাতীয় দল চীনের কাছে হেরেছিল। টানা দুই ম্যাচ হারলেও এখনই বাংলাদেশের নকআউট পর্বে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি। ৭ই এপ্রিল গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামকে হারাতে পারলে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ পাবে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন চীন ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামে। প্রথমার্ধে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশ। বিশেষ করে চীনকে পরীক্ষায় ফেলেন বাংলাদেশের গোলপোস্ট সামলানো মিলি আক্তার। প্রথমার্ধে ফ্রি-কিক, দূরপাল্লার শট মিলিয়ে পাঁচটি অন টার্গেট শট আটকে বাংলাদেশকে বিপদমুক্ত করেন। ম্যাচের ১৫তম মিনিটে লি কে’র হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় মিলির প্রতিরোধ। শিয়াও ইয়াফেইর দূরপাল্লার শট এবং ওয়াং আইফাংয়ের ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া ফ্রি-কিক অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন তিনি। ৩৩ মিনিটে শান্তি মার্ডির বদলে মাঠে নামেন মুনকি আক্তার। ৪৩ মিনিটে চীনের জেং লু গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেলেও মিলির দৃঢ়তায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল হজম করে বাংলাদেশ। ৪৭তম মিনিটে জিং লুজিয়ার কাটব্যাক থেকে ইউ শিন গুয়ে গোল করে চীনকে এগিয়ে নেন। গোলহজমের পরেও চোখে চোখ রেখে লড়াই করে বাংলাদেশ। কয়েকবার পাল্টা আক্রমণ করে। ৭১ মিনিটে আরেকটি দারুণ সেভ দেন মিলি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের করা হেড ঠেকিয়ে দেন। ৮২ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া ফ্রি কিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওয়াং আইফাং।
চীনের কাছে হেরেও কোয়ার্টারের আশা জিইয়ে রাখলো বাংলাদেশ
স্পোর্টস রিপোর্টার
৫ এপ্রিল (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
