যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। এতে যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে তেহরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া নিয়ে কথা হচ্ছে। বুধবার ফোনে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। একই দিনে ট্রুথ সোশালে পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধবিরতি চান এবং বলেন, হরমুজ প্রণালী খোলা, মুক্ত ও নিরাপদ হলেই তা সম্ভব। তিনি লিখেছেন, ‘হরমুজ প্রণালী খোলা, মুক্ত ও পরিষ্কার হলে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করব। ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিচ্ছি বা, যেমন বলা হয়, পাথর যুগে ফিরিয়ে দিচ্ছি!!!’ তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এই দাবিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। ওদিকে চীন ও পাকিস্তান একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয় অন্তর্ভুক্ত।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর সঙ্গে পরিচিত এক সূত্র জানান, ট্রাম্প অধৈর্য হয়ে উঠছেন। চুক্তি না হলে ইরানের অবকাঠামোর ওপর চাপ বাড়বে। ট্রাম্প ভ্যান্সকে ব্যক্তিগতভাবে বার্তা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন যে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে তিনি যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। আল জাজিরাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাসের মাত্রা শূন্য, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণে কোনো সততা নেই। অতীতে আলোচনার অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তিনি আরও বলেন, আপনি ইরানের জনগণের সঙ্গে হুমকি ও সময়সীমার ভাষায় কথা বলতে পারবেন না। আমরা আত্মরক্ষার জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করি না।

tazrin rahman
২ মাস আগেwe the Muslim people, will be happy if the war is not ended by imposing any illegal conditions on Iran, and we pray to the most merciful for that.