বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ

‘নো বোট, নো ভোট’; প্রচারণা কাজে লাগেনি আওয়ামী লীগের

ফন্ট সাইজ:

‘নো বোট, নো ভোট’; অর্থাৎ নৌকা নেই, ভোটও নয় এবারের নির্বাচনে এটাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অবস্থান। ভোট ঠেকানোর কোনো পরিকল্পনা দলটির নেই। তবে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান সত্ত্বেও কর্মী-সমর্থকদের একটা অংশ ভোট দিতে গেছেন। মামলা, ভয়ভীতি এবং নানা প্রলোভনের কারণে এটা স্বাভাবিক হিসেবেই ধরে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য সরকার দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়তে অনেকেই ভোটকেন্দ্রমুখী হয়েছেন সাধারণ নেতাকর্মীরা। তাছাড়া দেশ-বিদেশে পলাতক থাকা নেতাদের ওপর বেজায় নাখোশ তৃণমূলের কর্মীরা। তাদের কেউ কেউ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়কে বকাঝকা করছেন। গত কয়েক দিনে আওয়ামী লীগের সুবিধা নেয়া পলাতক নেতারা বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জের নির্বাচনী এলাকার মানুষদের সঙ্গে ভিডিওকলে, বার্তা পাঠিয়ে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ফেসবুকে দলটির নেতাকর্মীরা ‘নো বোট, নো ভোট’ লেখা ফটোকার্ড ছেড়েছেন। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া মিলেনি। সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সমর্থক একাধিক চেয়ারম্যান, দলীয় কার্যকরী কমিটিতে থাকা অনেক নেতা ভোটের মাঠে প্রচারণা চালিয়েছেন। কেউ কেউ টাকা পয়সাও নিয়েছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে শিক্ষিত মধ্যবিত্তশ্রেণি দলের লোকজন ভোট দিতে গেছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারণা, সমর্থকদের মধ্যে যারা ভোট দিতে যাবেন, তারা গণভোটে ‘না’ এর পক্ষে রায় দেবেন। আবার বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে বিকল্প প্রার্থী বা স্বতন্ত্র ও সংখ্যালঘু প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের ভোট বেশি পেতে পারেন।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন