২০ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ

২০ বছরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ

ফন্ট সাইজ:

২০ বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র। আগে যেসব সেনা সদস্য মোতায়েন আছে তার সঙ্গে কমপক্ষে সাড়ে তিন হাজার মেরিন ও নাবিক শনিবার যোগ দিয়েছে। এ খবর দিয়ে অনলাইন এনডিটিভি বলছে, ইরানের সঙ্গে এক মাসের যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইউএসএস ট্রিপোলি জাহাজে থাকা ৩,৫০০ মেরিন ও নাবিক শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। সেন্টকম এক্সে এক পোস্টে জানায়, ইউএসএস ট্রিপোলিতে (এলএইচএ ৭) থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নাবিক ও মেরিনরা ২৭ মার্চ ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ অঞ্চলে পৌঁছেছে। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সেনারা যুদ্ধের পোশাক, হেলমেট ও গগলস পরিহিত অবস্থায় রয়েছে। এই মেরিনরা মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা প্রায় ৫০,০০০ মার্কিন সেনার সঙ্গে যোগ দেবে।

হামলায় ব্যবহৃত ওই জাহাজে পরিবহন ও স্ট্রাইক ফাইটার বিমান, উভচর হামলা সক্ষমতা এবং বিভিন্ন কৌশলগত সরঞ্জামও রয়েছে। উভচর হামলা জাহাজ ইউএসএস ট্রিপোলি এবং এতে থাকা ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট মূলত জাপানভিত্তিক। তারা তাইওয়ানের আশেপাশে মহড়ায় ছিল। সেখান থেকে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তাদেরকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। ট্রিপোলির পাশাপাশি ইউএসএস বক্সার এবং আরও দুটি জাহাজ, সঙ্গে আরেকটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটকেও সান ডিয়েগো থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফলে ইরানে স্থল হামলা হতে পারে বলে আতঙ্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই বলছেন ওয়াশিংটন ইরানের ভেতরে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বারবার বলেছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার জন্য শান্তি আলোচনা চলছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক বিকল্প দেয়া। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানে হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে রয়েছে। এই অতিরিক্ত বাহিনী ইতিমধ্যে পাঠানো হাজারো প্যারাট্রুপার ও মেরিনদের সঙ্গে যোগ দেবে। ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে বলে আসছেন, ইরানের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে অতিরিক্ত সেনারা ঠিক কোথায় অবস্থান নেবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, তারা সম্ভবত ইরানের কাছাকাছি এবং খার্গ দ্বীপের আশেপাশে মোতায়েন হবে।

মার্কিন সেনাদের জন্য ইরানের ‘কফিন’ সতর্কবার্তা
ওদিকে ইরানের ইংরেজি দৈনিক তেহরান টাইমস-এর প্রথম পাতায় শনিবার ‘ওয়েলকাম টু হেল’ শিরোনামে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে তারা ‘শুধু কফিনে করে ফিরবে।’

শাজিদ

২ মাস আগে

মনেহচ্ছে যুদ্ধ দির্ঘ্যমেয়দী হবে। ইরানের পাশে এই অঞ্চলের কেউ নেই। ইরানের শত শক্তি থাকলেও আমিরিকার মোকাবেলায় নগন্য অঞ্চলের কেউ পাশে না থাকায় ইরান যেদিন মনে করবে সে ইরাকের মত মরতে যাচ্ছে সেদিন তার সমর শক্তির সর্বোচ্চ প্রয়োগ করে আশেপাশের সবাইকে নিয়ে আত্মহুতির পথ বেচে নিবে।

মন্তব্য করুন