১/১১ কুশীলবদের বিচার কেন জরুরি?

১/১১ কুশীলবদের বিচার কেন জরুরি?

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশের ইতিহাসে ১/১১ কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক এবং নৈতিক স্থাপত্যে একটি গভীর বিচ্যুতির নাম। এটি কোনো স্বাভাবিক ক্ষমতা পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি ছিল রাষ্ট্রের দৃশ্যমান কাঠামোর আড়ালে এক অদৃশ্য ক্ষমতার বলয়ের উত্থান, যেখানে আনুষ্ঠানিক বৈধতা (formal legitimacy) ছাপিয়ে অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতাই হয়ে উঠেছিল সিদ্ধান্তের প্রকৃত উৎস। ১/১১ রাষ্ট্রকে শুধু সাময়িক সংকটে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং এটি রাষ্ট্রের নৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ক্ষত করেছে। এটি ক্ষমতা হস্তান্তরের আবরণে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক অগণতান্ত্রিক অংশীজনদের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দিয়েছিল। এই ঘটনার অশুভ ছায়া এখনো রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।

এই প্রেক্ষাপটে ১৯ বছর পর ১/১১’র অন্যতম কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার কোনো বিচ্ছিন্ন আইনগত ঘটনা নয়; বরং এটি ইতিহাসের একটি delayed moment of reckoning- কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটি প্রমাণ করে যে, অন্যায়কে দীর্ঘকাল টিকিয়ে রাখা সম্ভব হলেও চিরকাল সম্ভব নয়। সময়ের একটি বিন্দুতে এসে ইতিহাস তার নিজের ভারসাম্য রক্ষা করতে চায়। একটি বিলম্বিত নৈতিক জবাবদিহি, যেখানে রাষ্ট্র অবশেষে তার অতীতের মুখোমুখি দাঁড়াতে বাধ্য হয়। এটি শুধু বিচার নয়; এটি ইতিহাসের সঙ্গে রাষ্ট্রের এক নৈতিক মোকাবিলা।

​বিলম্বিত বিচার- নীরবতার রাজনীতি: ১/১১’র পর প্রায় দুই দশক কেটে গেছে। এই দীর্ঘ বিলম্ব কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; এটি নিজেই একটি রাজনৈতিক সত্য। এই বিলম্ব আমাদের সামনে তিনটি বাস্তবতা উন্মোচন করেÑ
​প্রথমত, ন্যায়বিচার তখন স্থগিত ছিল;
​দ্বিতীয়ত, অপরাধে সংশ্লিষ্ট অনেকেই পুরস্কৃত বা পুনর্বাসিত হয়েছে;
তৃতীয়ত, ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নৈতিকতার মানদণ্ডও বদলেছে।
অর্থাৎ, ন্যায়বিচারকে কেবল বিলম্বিত করা হয়নি-বরং কাঠামোগতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। এখন যে মুহূর্তটি তৈরি হয়েছে, তা একটি “delayed reckoning”-যেখানে দীর্ঘদিন চাপা পড়ে থাকা অন্যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘন নতুন করে বিচার ও জবাবদিহির আওতায় আসছে। এই ধরনের মুহূর্ত সাধারণত তিনটি প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত হয়-ক্ষমতার পরিবর্তন, দীর্ঘদিনের সামাজিক চাপ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগের উদ্ভব।

অদৃশ্য ক্ষমতার স্থপতিরা:
১/১১’র ঘটনাপ্রবাহ আমাদের একটি মৌলিক সত্য শেখায়: রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা সবসময় দৃশ্যমান কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা বা রাজনৈতিক দলগুলো ছিল দৃশ্যমান মুখ; কিন্তু প্রকৃত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল একটি informal military-bureaucratic nexus-এর ভেতরে। সামরিক বাহিনীর কিছু অংশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রশাসনিক অভিজাত গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত এই অদৃশ্য কাঠামোই তখন রাষ্ট্রের বাস্তব ক্ষমতা পরিচালনা করছিল।
এই প্রেক্ষাপটে মাসুদ চৌধুরীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ-তিনি কেবল একজন সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন না; বরং একটি power coordinator, যার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রের বাইরে ক্ষমতার কার্যকর মানচিত্র নির্মিত হচ্ছিল।

রাষ্ট্র বনাম Deep State:
এই বাস্তবতাকে বোঝার জন্য “Deep State” ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ। যখন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে একটি অদৃশ্য শক্তি-সামরিক, গোয়েন্দা ও আমলাতান্ত্রিক নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে-নির্বাচিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তখন একটি parallel sovereignty তৈরি হয়। ১/১১-তে সেটাই ঘটেছিল। ফখরুদ্দীন আহমদের সরকার ছিল রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক রূপ; কিন্তু সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত চর্চা হচ্ছিল অন্যত্র। এই দ্বৈততা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক, কারণ এটি জবাবদিহির ধারণাকেই ভেঙে দেয়।

রাষ্ট্রের নৈতিক পতন: যদি অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হয়-রাজনৈতিক নেতাদের আটক ও নির্যাতন, ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায়, কিংবা আইনের বাইরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ-তাহলে এগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ধনঁংব ড়ভ ঢ়ড়বিৎ নয়; বরং একটি সুসংগঠিত শাসন পদ্ধতির ইঙ্গিত বহন করে, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হয়ে ওঠে জোর, ভয় এবং নিয়ন্ত্রণ। তারেক রহমানকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত পুলিশের অধীনে রিমান্ড মঞ্জুর করে। কিন্তু কোন আইনের এখতিয়ারে একজন বেসামরিক লোককে সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তরে নেয়া হয় এবং নির্যাতন করা হয় তা অবশ্যই অনুসন্ধান করে দায় নির্ধারণ করতে হবে।

এই অবস্থাকে বলা যায় coercion as governance-অর্থাৎ শাসনব্যবস্থা নিজেই যখন ভয়-নির্ভর নিয়ন্ত্রণে রূপ নেয়। রাষ্ট্র আর নৈতিক বৈধতা (moral legitimacy) থেকে পরিচালিত হয় না; বরং বাধ্য করার ক্ষমতা দিয়ে টিকে থাকে।
এখানে আইন আর ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের কার্যক্রমের ভিত্তি নয়; বরং এগুলো প্রতিস্থাপিত হয় অদৃশ্য নির্দেশ, অনানুষ্ঠানিক ক্ষমতা এবং জবাবদিহিহীন বলপ্রয়োগ দ্বারা। নাগরিক তখন আর অধিকারসম্পন্ন ব্যক্তি থাকে না; সে পরিণত হয় একটি নিয়ন্ত্রিত সত্তায়, যার আচরণ নির্ধারিত হয় শাস্তির আশঙ্কা দ্বারা।

দার্শনিকভাবে এটি রাষ্ট্রের নৈতিক পতনের স্পষ্ট লক্ষণ। Max Weber যে legitimate authority-এর কথা বলেন-যেখানে মানুষ স্বেচ্ছায় রাষ্ট্রকে মান্য করে-এই কাঠামো সেখানে ভেঙে পড়ে। একইভাবে Hannah Arendt আমাদের মনে করিয়ে দেন, যেখানে শাসন টিকিয়ে রাখতে বলপ্রয়োগের প্রয়োজন হয়, সেখানে প্রকৃত ক্ষমতা ইতিমধ্যেই দুর্বল হয়ে গেছে।

অতএব, এই বাস্তবতায় প্রশ্নটি আর ব্যক্তি বা ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি রাষ্ট্রের চরিত্রগত সংকটে পরিণত হয়। কারণ যখন রাষ্ট্র নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাকে নিয়ন্ত্রণ ও ভীত করার যন্ত্রে রূপান্তরিত হয়, তখন সেটি আর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র থাকে না; বরং তা পরিণত হয় এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার কাঠামোতে, যেখানে বৈধতা নয়-ভয়ই হয়ে ওঠে শাসনের মূল ভিত্তি।

ব্যক্তি নয়, কাঠামোর বিচার: এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-এই বিচার কি ব্যক্তিকেন্দ্রিক হবে, নাকি কাঠামোগত? যদি এটি কেবল নির্ধারিত কিছু ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে না; বরং  selective justice-এর একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, আদালত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী-সবই ধীরে ধীরে নিরপেক্ষতা হারায়। প্রতিষ্ঠানগুলো ন্যায়বিচারের রক্ষক নয়, বরং ক্ষমতার প্রয়োগকারী হয়ে ওঠে।

কিন্তু যদি এই প্রক্রিয়া পুরো ক্ষমতা কাঠামো-সামরিক, গোয়েন্দা ও প্রশাসনিক সমন্বয়-সমগ্রভাবে মূল্যায়নের আওতায় আনে, তাহলে এটি একটি প্রকৃত ঐতিহাসিক জবাবদিহির সূচনা হতে পারে।

পূর্ণাঙ্গ বিচারের লক্ষ্যে অপরিহার্য প্রস্তাবনা: ১/১১’র বিচারকে নিছক একটি আইনি প্রক্রিয়া থেকে রাষ্ট্রে রূপান্তরের (State Transformation) হাতিয়ারে পরিণত করতে নিচের বিষয়গুলো তলিয়ে দেখা জরুরি:
সাংবিধানিক রক্ষাকবচের পরীক্ষা: অসাংবিধানিক ক্ষমতার চর্চা রাষ্ট্রদ্রোহিতা। এই বিচারটি হওয়া উচিত সংবিধানের সেই মর্যাদাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার একটি ‘ ‘Test CaseÕ, যেন ভবিষ্যতে কোনো অজুহাতেই ‘State of Exception’ বা জরুরি অবস্থার নামে আইনের শাসনকে স্থগিত করা না যায়।
প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজির (Institutional Extortion) বিচার: ১/১১’র সময় গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের ওপর যে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে অর্থ আদায় করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত। এটি কেবল ব্যক্তিগত লুটপাট ছিল না, এটি ছিল রাষ্ট্রের একটি বিশেষ অংশের মাধ্যমে পরিকল্পিত লুণ্ঠন। এর বিচার না হলে বেসরকারি খাতের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের পরিবেশ কখনো সুসংহত হবে না।

বিরাজনীতিকরণ বা ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার রহস্য উদ্ঘাটন: দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে নেতৃত্বশূন্য করার যে ‘মাইনাস টু’ নকশা তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্যের কুশীলব ও দেশি-বিদেশি সংযোগ উন্মোচন করা জরুরি। জনসার্বভৌমত্ব (Popular Sovereignty) ফিরিয়ে আনতে এই রাজনৈতিক চক্রান্তের বিচার হওয়া সময়ের দাবি।
কমান্ড রেসপনসিবিলিটি (Command Responsibility): নির্যাতনের নির্দেশ যারা দিয়েছিলেন এবং যারা মাঠপর্যায়ে তা কার্যকর করেছিলেন-উভয়কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। উপরের নির্দেশে অন্যায় করা হয়েছে-এই অজুহাত আইনিভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ন্যায়বিচার বনাম প্রতিশোধ: ​এই প্রেক্ষাপটে একটি মৌলিক দার্শনিক প্রশ্ন উঠে আসে-এই প্রক্রিয়া কি ন্যায়বিচারের পথে এগোবে, নাকি প্রতিশোধের দিকে ঝুঁকবে? Karl Popper আমাদের মনে করিয়ে দেন-একটি উন্মুক্ত সমাজের মূলশক্তি হলো ক্ষমতার ওপর নিরপেক্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ। অন্যদিকে Hannah Arendt সতর্ক করেন-প্রতিশোধ কখনো ন্যায়বিচারের বিকল্প হতে পারে না; বরং এটি সহিংসতার পুনরুৎপাদন ঘটায়। অতএব, যদি এই বিচার প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ না হয়, তাহলে তা নিজেই আবার ক্ষমতার একটি নতুন রূপে পরিণত হবে।

​স্মৃতি, ন্যায় ও ভবিষ্যৎ: বাংলাদেশের জন্য এই মুহূর্তটি একটি নৈতিক পরীক্ষা। রাষ্ট্র কি তার অতীতের মুখোমুখি দাঁড়াবে-নাকি আবারো একটি আংশিক সত্য নির্মাণ করবে? কারণ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপদ মিথ্যা নয়; বরং আংশিক সত্য-যা বিচারকে বিকৃত করে এবং অন্যায়কে দীর্ঘস্থায়ী করে।

ইতিহাসের বিচার না হলে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে একটি ভয়ের যন্ত্রে পরিণত হয়। মাসুদ চৌধুরীর গ্রেপ্তার তাই কেবল একজন ব্যক্তির বিচার নয়; এটি একটি যুগের বিচার হওয়ার সম্ভাবনা বহন করে। কিন্তু সেই বিচার যদি আংশিক এবং রাজনৈতিক হয়, তাহলে এটি সত্য প্রতিষ্ঠা করবে না; বরং নতুন অন্যায়ের নবতর ভিত্তি তৈরি করবে।

রাষ্ট্রের সামনে আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্ষমতার স্মৃতি আঁকড়ে ধরা নয়, বরং ন্যায়বিচারের আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করা। কারণ রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তার পেশি শক্তিতে নয়; বরং তার সাহসে-অতীতের অন্যায়ের মুখোমুখি দাঁড়ানোর সাহস এবং ন্যায়ের আলোকে নিজেকে সংশোধন করার সক্ষমতায়। ইতিহাস হয়তো ধূসর হয়ে যায়, কিন্তু ন্যায়ের দাবি কখনো মুছে যায় না।
লেখক: গীতিকবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
[email protected]

Abigado

৩ মাস আগে

১/১১ কুশিলবদের বিচার যেমন জরুরী তেমনি ২৪ শের কুশিলবদের বিচার তার চেয়ে বেশি জরুরী।

Joy

৩ মাস আগে

লেখককে অনেক ধন্যবাদ । অবশ্যই বিচার হওয়া জরুরী

রুহেল

৩ মাস আগে

এক-এগারোর সকল কুশীলবের (সামরিক-বেসামরিক) এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে বিচার করতে হবে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। নাহলে আবার এরা ছোবল মারবে।

mahbub

৩ মাস আগে

২০২৪ এর কুশীলবদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে।

Shah Alam Bhuiyan.

৩ মাস আগে

যেভাবে দলীয় পরিচয়ের লোকদেরকে সকল প্রতিষ্ঠানে পদায়ন করা হচ্ছ সেখানে ন্যায় বিচার কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে?
সংবিধান -সংবিধান বলে ৭২ র সংবিধান এর জন্য সালাউদ্দীন সাহেব যে জিকির করছেন আসলে কি ৭২ র সংবিধান বলতে কি কিছু আছে?
এই সংবিধানের খোলনলছে তো অনেক আগেই বিদায় করে দেওয়া হয়েছে।
এখন যদি সত্য কে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে, জুলাই কে ধারন করতে না পারে তাহলে যে লাউ সেই কদু ই হবে।

Abdul Matin Sikder

৩ মাস আগে

১/১১ এর সকল কুশীলবের ভয়ংকর কঠিন বিচার হওয়া খুব জরুরী, তা নাহলে বাংলাদেশ আবার পথ হারাবে, জনগন মহাবিপদে পরে যাবে, কষ্টের কোন সীমা থাকবেনা।

BAD MOUTH

৩ মাস আগে

সবার আগে একাত্তুরের কুশীলবদের বিচার জরুরি। বাংলাদেশ মুর্দাবাদ।

মন্তব্য করুন