যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে চলমান সংকটের মধ্যেও ইরান তেল রপ্তানি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৩৯ মিলিয়ন ডলার আয় করছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। এতে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তেহরান তেল রপ্তানি থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান বর্তমানে দ্বিমুখী সুবিধা পাচ্ছে। একদিকে তাদের প্রধান ক্রুড গ্রেড ‘ইরানিয়ান লাইট’ ব্রেন্টের তুলনায় গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্টের দামও বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি হয়েছে।
মার্চে ইরানের তেল রপ্তানি দৈনিক প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেলে স্থিতিশীল রয়েছে, যা যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি। খার্গ দ্বীপ টার্মিনাল থেকে ট্যাংকারে তেল লোড হয়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে এই কার্যক্রম আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে উপসাগরীয় অন্যান্য দেশ কার্যত অবরোধের মুখে পড়েছে। ইরাক ও কুয়েত উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে, আর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব বিকল্প রুট খুঁজছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক বিমান হামলা সত্ত্বেও ইরান তাদের আর্থিক প্রবাহ বজায় রাখতে সক্ষম হওয়ায় সামরিক চাপ আংশিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এমনকি তেলের দামের ওপর যুদ্ধের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রে থাকা কিছু ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে।
ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক আয় ছিল প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ডলার, যা মার্চে বেড়ে ১৩৯ মিলিয়নে পৌঁছেছে। ইরানিয়ান লাইট ক্রুডের ডিসকাউন্ট কমে ব্যারেলপ্রতি ২.১০ ডলারে নেমে এসেছে, যা যুদ্ধের আগে ১০ ডলারের বেশি ছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বাড়তি আয় ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বড় বিনিয়োগের মুখে রয়েছে।
যুদ্ধের মধ্যেও তেল থেকে প্রতিদিন ১৩৯ মিলিয়ন ডলার আয় করছে ইরান
মানবজমিন ডেস্ক
বিশ্বজমিন
২ মাস আগে
২৭ মার্চ (শুক্রবার), ২০২৬, ৯ঃ১৮ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

Faiz Ahmed
২ মাস আগেক্রিপ্টো কারেন্সি তে লেনদেন তাই অবিরাম ক্রুড অয়েল বিক্রি চলবেই।
ট্রাম্প প্রশাসন কিছুই করতে পারবে না।