দিনাজপুরের বিরামপুরে ১৫টি গ্রামে ঈদ উদযাপন

দিনাজপুরের বিরামপুরে ১৫টি গ্রামে ঈদ উদযাপন

ফন্ট সাইজ:

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় প্রায় ১৫টি গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। শুক্রবার সকাল ৮টায় উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদে একটি এবং বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া নূরুল হুদা দাখিল মাদরাসা মাঠে আরেকটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদের জামাতে পুরুষ মুসল্লিদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসবমুখর আমেজে অনুষ্ঠিত হয় এই জামাত।

খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মো. দেলোয়ার হোসেন কাজী। অপরদিকে আয়ড়া নূরুল হুদা দাখিল মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন হাফেজ আল আমিন।

সরজমিনে আয়ড়া মাদরাসা মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য মাঠে জড়ো হতে থাকেন। কেউ ভ্যানে, কেউ সাইকেলে আবার কেউ মোটরসাইকেলে করে পরিবার-পরিজনসহ নামাজে অংশ নিতে আসেন। অনেক নারী মুসল্লিকেও নামাজে অংশ নিতে দেখা যায়। ফলে পুরো এলাকা ঈদের আনন্দঘন পরিবেশে মুখর হয়ে ওঠে।

খয়েরবাড়ি জামাতের ইমাম আল আমিন বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দিনের কোনো পরিবর্তন হয় না। সেই বিবেচনা থেকেই আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করি।’

তিনি আরও জানান, ‘১৯৯৭ সাল থেকে এভাবে ঈদের নামাজ আদায়ের পরিকল্পনা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত আয়োজন করে আসছি।’

বিরামপুর থানার এসআই দুলু মিয়া বলেন, ‘জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে যাতে নামাজ সম্পন্ন হয় সেজন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। দু’টি জামাতে প্রায় ২৪০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।’

Bonggoj Bihonggo

২ মাস আগে

যারা সৌদি আরবের তারিখের সাথে বাংলাদেশে ঈদ করে তারা কি সৌদি আরবে সেহেরি খাওয়ার সময়ে সেহেরি খেয়েছে, ইফতার করার সময়ে ইফতার করেছে? সৌদি আরবে ফজরের নামাজের সময়ে ফজরের নামাজ পড়ে?

Nazrul Islam

২ মাস আগে

তারা সৌদিআরবের সাথে এক সময়ে ইফতার সেহেরী করেন।সৌদিআরব যে টাইমে নামায আদায় করে ঐ সময় এই খানে নামাজ আদায় করেন।থআকবেন খাবেন বাংলাদেশ সময়ে আর ঈদ করবেন সৌদি টাইমে।

মন্তব্য করুন