দেশের ক্রিকেটের চিরচেনা অঙ্গন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ‘হোম অব ক্রিকেট’ নামে পরিচিত এ মাঠের ঘাস থেকে শুরু করে গ্যালারির প্রতিটি কোণ ক্রিকেটারদের কাছে খুব আপন। স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা ড্রেসিংরুমটি ক্রিকেটারদের কাছে কেবল একটি কক্ষই নয়, বরং তার চেয়েও বেশি কিছু। সদ্য পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর টাটকা স্মৃতি নিয়ে বিসিবি’র সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ক্রিকেটাররা ড্রেসিংরুমকে ঘিরে তাদের আবেগ ও অনুভূতির কথা জানিয়েছেন। তরুণ অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন ধ্রুবর কাছে মিরপুরের ড্রেসিংরুমে পা রাখা মানে নিজের ঘরে ফেরা। তিনি বলেন, ‘যখন আমরা ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করি, আমাদের মনে হয় এটিই আমাদের বাড়ি।’ একই সুর শোনা গেল দলের অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদের কণ্ঠেও। ড্রেসিংরুমকে নিজের দ্বিতীয় বাড়ি আখ্যা দিয়ে তাসকিন বলেন, ‘মিরপুরের ড্রেসিংরুম অবশ্যই আমাদের কাছে বাড়ির মতো।
কারণ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলই একটা পরিবারের মতো। আসলে এটার সাথে অজস্র স্মৃতি জড়ানো, আবেগ জড়ানো; ভালো মোমেন্ট, স্যাড মোমেন্ট- এটা আমার আরেকটা ঘরের মতোই।’ ড্রেসিংরুমে পূর্বসূরিদের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। নিজের অভিষেকের দিনগুলোর স্মৃতি হাতড়ে তিনি বলেন, ‘ড্রেসিংরুম অবশ্যই প্রত্যেকটা প্লেয়ারের জন্যই স্পেশাল। এই ড্রেসিংরুমে যখন আমি ঢুকেছিলাম তখন অনেক গ্রেট প্লেয়াররা ছিল-মুশফিক ভাই, তামিম ভাই, রিয়াদ ভাই, সাকিব ভাই ও মাশরাফি ভাই ছিলেন।’ অন্যদিকে, তানজিদ হাসান তামিমের চোখে ড্রেসিংরুম হলো আড্ডা আর শেখার পাঠশালা। তিনি জানান, তাসকিন, শরিফুল, সৌম্য ও লিটন দাসের উপস্থিতিতে ড্রেসিংরুম সবসময় প্রাণবন্ত থাকে। তানজিদ বলেন, ‘এখানে সবকিছু আমরা শেয়ার করতে পারি। সিনিয়র-জুনিয়র সবাই অনেক উপভোগ করি। ক্রিকেটের অনেক জিনিস থাকে, ক্রিকেটের বাইরের অনেক জিনিস থাকে। আমাদের লিজেন্ড প্লেয়ারদের অনেক স্মৃতি থাকে, সেগুলো আমরা অনেক উপভোগ করি।’ পেসার শরিফুল ইসলামের কাছে ড্রেসিংরুম মানেই সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো আনন্দের মুহূর্ত। তিনি বলেন, ‘এখানে সবাই অনেক মিশুক। একজন আরেকজনের সাথে মজা নেয়। খেলা না থাকলে এগুলো খুব মিস করি।’
