উত্তরায় শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর, ১১ আসামি রিমান্ডে

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীর ‘উত্তরা স্কয়ার শপিং কাম কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে’ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ১১ আসামির দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক মো. সুমন মিয়া আসামিদের আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে প্রত্যেকের দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলো- মো. মনির আলম (৩২), মো. মজিবর রহমান (২০), মো. হৃদয় (১৯), মো. মঞ্জুরুল (৩২), মো. মহব্বত আলী (১৮), শাহ পরান (১৯), মো. শাকিল (১৯), মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে আ. রশিদ (২৭), মো. সাজু (২৪), মো. লিটন (২৪) এবং জিহাদ (১৯)।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। মামলার অভিযোগ থেকে, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নং সেক্টরের সোনারগাঁও জনপদ রোডে অবস্থিত ‘স্কয়ার শপিং কাম কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স’-এর সামনে এক রিকশাচালকের সঙ্গে দায়িত্বরত নিরাপত্তা রক্ষীর বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উক্ত রিকশাচালক ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা রিকশাচালক মিলে নিরাপত্তা রক্ষী ও শপিং কমপ্লেক্সের লোকজনের ওপর চড়াও হয় এবং তাদের এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে।?পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে প্রায় ৬০০/৭০০ জন উত্তেজিত লোক লাঠিসোটা ও লোহার রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কমপ্লেক্সের নিচতলা ও দোতলার গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় সুযোগ বুঝে আসামিরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থিত ‘খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল এবং ‘কত ইমিটেশন জুয়েলারি’ দোকান থেকে ৫ লাখ টাকার গয়না লুট করে নিয়ে যায়। ?পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উত্তেজিত জনতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে কমপ্লেক্সের প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন