আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন উন্নয়ন সাংবাদিক, কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি মানবজমিনের সঙ্গে কথা বলেছেন কৃষি, কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান, তার শুরু, বর্তমানের কৃষির অবস্থাসহ নানা বিষয়ে। নিজের শুরুর কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এক সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের কৃষি বিষয়ক প্রথম টেলিভিশন অনুষ্ঠান আমি এবং আমরা শুরু করি। আমাদেরটা দেখে তখন প্রাইভেট চ্যানেলে আরও দুয়েকটি অনুষ্ঠান শুরু হলো। এখন হয়তো সব টেলিভিশনেই কৃষি বিষয়ে অনুষ্ঠান হয়। কৃষি বিষয়ে সংবাদ সেটিও আমরাই প্রথম শুরু করি। একটা পূর্ণাঙ্গ বুলেটিন হয়। সেই হিসাবে চিন্তা করলে এক সময় কৃষি বিষয়ক সংবাদ ছিল খুবই অবহেলিত। মফস্বল থেকে একটা কৃষি সংবাদ আসলে সম্পাদকরা ছাপাতে চাইতো না। সেই অবস্থায় আমরা যখন একটা পূর্ণাঙ্গ কৃষি সংবাদ করলাম বিকালবেলা, ফুল বুলেটিন। তখন আসলে আস্তে আস্তে সবার টনক নড়লো, এটার মধ্যে একটা বিনোদনের জায়গা আছে, এটার মধ্যে একটা সংবাদের উপাত্ত আছে। সেই জায়গা থেকে আজকে এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু প্রথমদিকে সহজ ছিল না। প্রথমে বাংলাদেশ টেলিভিশনে কৃষি নিয়ে অনুষ্ঠান করার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যখন বাংলাদেশ টেলিভিশনে কাজ করতাম তখন লক্ষ্য করতাম কৃষকদের নিয়ে কোনো বিনোদনের অনুষ্ঠান নেই। তখন তিনদিনব্যাপী ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠান করতো বিটিভি। আমি খুব ক্লোজলি ওয়াচ করতাম, দেশের একটা মাত্র টিরেসট্রিয়াল টেলিভিশন বিটিভি, যার বিস্তৃতি একদিন তৃণমূল ভিলেজ পর্যন্ত আছে। কিন্তু তিনদিনের ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান নেই যে, যেখানে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে তেমন কোনো অনুষ্ঠান নেই। সবই দেখা যেত শহরের নাটক, শহরের গান, দালান কোঠা, শহরের রাস্তাঘাটের চিত্রই দেখা যেত। কিন্তু বৃহত্তর জনগোষ্ঠী তো গ্রামবাংলারই। তখন খারাপ লাগতো এই ভেবে যে, এত কিছুর ভেতর এত বড় গ্রামবাংলা অথচ গ্রামের জীবনযাত্রা, আচার অনুষ্ঠান টেলিভিশনে তেমন উঠে আসে না। পরবর্তীতে যখন নিজেদের টেলিভিশন করার সুযোগ সৃষ্টি হলো তখন সেই চেতনাটা প্রয়োগ করার ইচ্ছে জাগলো। সেই থেকে শুরু করলাম, ২০০৭ সালে। একটা সহজ সরল নাম দিলাম ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’। আমি এখানে দেখাতে চেয়েছিলাম গ্রামের মানুষ আমাদের থেকেও সুন্দর করে হাসতে পারে। শহরের মানুষ হাসতে গেলে অনেক মাপকাঠি নিয়ে হাসে। তারা চিন্তা করে কতোটুকু হাসলে আমার ব্যক্তিত্ব ও সম্মান থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমি শুরু করেছিলাম গ্রামবাংলার মানুষকে দিয়ে গ্রামবাংলার মানুষের জন্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টেলিভিশন চ্যানেলের পরিধি বেড়েছে, সংখ্যা বেড়েছে, মানুষের বিনোদন পাওয়ার মতো অনেক অপশন হাতে এসেছে। নানারকম অনুষ্ঠান হচ্ছে। তারপরও একটা পর্যায়ে দেখা গেল গ্রামবাংলার মানুষ এই অনুষ্ঠান যতটা না দেখে তার থেকে বেশি দেখে শহরের মানুষ। তখন বুঝলাম শহরের মানুষও নির্মল আনন্দটা চায়। এতদিন যা দেখে আসছে তার মধ্যে একটা কৃত্রিমতা ছিল অথচ এই অনুষ্ঠানের মধ্যে গ্রামের মানুষ যেমন করে হাসতে পারে সেই হাসি তো আমি কখনো হাসতে পারিনি। দর্শক এই অনুষ্ঠানে শহরে থেকেও নিজের জায়গাকে দেখতে পেরেছে। এখন এতগুলো টেলিভিশন চ্যানেল। এক একটা চ্যানেলে ১০/২০টা করে নাটক থাকে, সিনেমা থাকে, টেলিফিল্ম থাকে, টকশো থাকে। তাহলে কোন চ্যানেলে কি যাচ্ছে। সব মিলিয়ে হয়তো ৪০টা চ্যানেলে ৪০০ এর মতো নাটকই যাচ্ছে। সুনির্দিষ্টভাবে কোনো দর্শককে যদি বলা হয় কোন চ্যানেলে কোন জিনিসটা যাচ্ছে বলুন তো। তাহলে সে খুব একটা ক্লিয়ার কিছু হয়তো বলতে পারবে না। কিন্তু আপনি যদি তাকে জিজ্ঞেস করেন, আচ্ছা নাটকের পাশাপাশি টেলিভিশনে এবার বিনোদনমূলক কি কি দেখবেন। খুব সুনির্দিষ্টভাবে দর্শক দু’টি অনুষ্ঠানের কথা বলবে ‘ইত্যাদি’ আর ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ এর কথা। তার মানে, সে জানে এই দু’টি অনুষ্ঠান ঈদের অমুকদিন প্রচার হবে। সে অপেক্ষা করে কারণ এই অনুষ্ঠান দেখে রুচির পরিবর্তন খুঁজে পায়। তার ভালো লাগে। এই অনুষ্ঠানটির এখানেই তো সফলতা। এই সাফল্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে এর একটা সাফল্য আছে। একবার আমরা একটা অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে জরিপ করেছিলাম, খেলাগুলো অনেকটা একইরকম হয়ে যায় কিছু কিছু খেলা বাদ দিতে চেয়েছিলাম। আমরা এরপর থেকে তৈলাক্ত কলাগাছে ওঠা, বউ সাজানো বাদ দিবো। কিন্তু অধিকাংশ দর্শক আপত্তি জানালো তৈলাক্ত কলাগাছ থাকতেই হবে, বালিশ লড়াই থাকতেই হবে, বউ সাজানো থাকতেই হবে। এই তিন খেলা রেখে অন্যান্য কি করবে আপনারা ভাবতে পারেন। সেই হিসাব করে আমরা প্রতিবারই দুয়েকটি খেলা পরিবর্তন করি। আরও পেছনের কথা স্মরণ করে শাইখ সিরাজ বলেন, ২০০৭ এর কথা বলি, তখন কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতায়। সেই সময় একটু ওপেন থাকে, সবাই কাজটাজ করতে চায়। বাধ্যবাধকতা কম থাকে। তখন সিএস করিম ছিল কৃষি উপদেষ্টা। উনার সঙ্গে আমার ভালো কেমিস্ট্রি ছিল, উনি আমাকে পছন্দ করতেন, আমিও উনাকে পছন্দ করতাম। উনাকে আমি নিয়ে গিয়েছিলাম একটা বাইচ দেখাতে, সঙ্গে ছিলেন তখন শিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী। তো ওইদিন বাইচ দেখতে হাজার হাজার মানুষ আসছে। আর বিভিন্ন জায়গা থেকে মাঝিমাল্লারা তাদের সাজানো নৌকা নিয়ে চলে আসছে ঘাঘট নদীতে। প্রায় এক মাইল জায়গা জুড়ে নৌকা নিয়ে বাইচে যায় আবার ফিরে আসে। ওই যে ২০০৭ সালে বহু বছর পর পৃষ্ঠা ১৭ কলাম ৪
মানুষ নৌকাবাইচ দেখার সুযোগ পেলো। ওইটা দেখানোর পরের বছর থেকে দেখা গেল দর্শক আবার প্রাণ ফিরে পেলো টেলিভিশনের পর্দায়। যেখানে সুযোগ আছে সেখানেই নৌকাবাইচের পুরনো প্রচলন আবার ফিরতে শুরু করলো। ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ দেখানোর পর যেটা হলো বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় পর্যায়ে ক্লাব, সংগঠনগুলো ঈদের সময় তারা নিজেরা নিজেরা কৃষকের ঈদ আনন্দ করা শুরু করলো। আমি মাত্র দুটো অনুষ্ঠান করি, সব জায়গায় তো যেতে পারি না। কিন্তু গ্রামে গ্রামে মানুষ ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ করা শুরু করলো। এখন সেটা যেখানে দাঁড়ালো, এই ডিজিটাল যুগে, গ্রামের একটা সাধারণ ছেলে, সেও কিন্তু একটা মোবাইল দিয়ে একটা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে গেছে। সে রিপোর্ট বানাচ্ছে, সে একটা বিনোদন অনুষ্ঠান বানাচ্ছে, সে একটা ধারা বর্ণনা দিচ্ছে। এটা কিন্তু একদিক থেকে ভালো। কৃষকের ঈদ আনন্দের মূল সাফল্য কি বলে মনে করেন- উত্তরে শাইখ সিরাজ বলেন, ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’-এর সাফল্যটা হচ্ছে এই যে, আবার সেই আদি পুরনো গ্রামবাংলার খেলাগুলোকে, নৌকাবাইচকে, লাঠি খেলাকে, গ্রামের সুরকে ফিরিয়ে এনেছে এবং গ্রামের মানুষকেও সংশ্লিষ্ট করেছে। এটা কিন্তু অনেকগুলো সামাজিক দিক থেকে পজিটিভ যে মানুষ একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল। আমি আমাকে নিয়ে ভাবতাম, কারণ এই মোবাইল ফোনটাই আমাকে বিচ্ছিন্ন করেছে, একের থেকে আলাদা করেছে, তাই না? সেই মানুষগুলো আবার কিন্তু এখন এই খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে একত্রিত হচ্ছে। শুভেচ্ছা বিনিময় হচ্ছে, জ্ঞানের বিনিময় হচ্ছে, এগুলো নিঃসন্দেহে পজিটিভ সাইন। এই অনুষ্ঠানটা নির্মাণের আগে আমরা যেখানে অনুষ্ঠানটা করবো, সেই গ্রামটা বা সেই জেলাটা খুঁজে বের করবো আগে। অনেকগুলো বিশেষত্ব থাকে, কেন এখানে করছি, সেটার কৃষির অবস্থা কী, সেটার মানুষরা পিছিয়ে থাকা কোনো জনপদ কিনা, অনেক ধরনের ক্রাইটেরিয়া বা সেটার কৃষির সুবিধা-অসুবিধা কী আছে, এই জিনিসগুলো যেন থাকে। একই সঙ্গে থাকে ঐতিহ্য এবং ওই যেখানে করবো, সেখানকার সহযোগিতাটা যারা আমাদের সঙ্গে থাকবে, তারা কতোটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের এ কাজটা করার জন্য সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, শুধু তো খেলাই যায় না, খেলার ফাঁকে ফাঁকে প্রতিবেদন যায়, ছোট ছোট রিপোর্টিং যায়। রিপোর্টিংগুলো হচ্ছে ওই জেলারই আর্থসামাজিক অবস্থা, কৃষির অগ্রগতি, উন্নতি, অবনতি, এগুলো নিয়ে যায়, এডুকেশন যায়। অনুষ্ঠানটির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, সংস্কৃতি তো এখন আগে যখন এই অনুষ্ঠানটা শুরু করেছিলাম, তখন মানুষ যখন আমি ‘ঈদ মোবারক’ বলে চিৎকার দিতাম, ওরাও ‘ঈদ মোবারক’ বলে এত জোরে চিৎকার দিতো যে পুরো গ্রাম ফেটে পড়তো, এরকম ব্যাপারটা ছিল। আর যখন কোনো কিছুতে আনন্দ পেতো, এতভাবে হাততালি দিতো। কিন্তু এখন অনুষ্ঠানের শুরু থেকেই কেউ আর হাততালি দেয় না, কারণ সবার হাতের মধ্যে একটা করে মোবাইল। আমি কী বলছি সে সেটা ওখান থেকে ধারণ করছে, কেউ কেউ ওটা ধারণ করে লাইভও করছে। সো এই হাততালির বিষয়টা উঠেই গেছে। অথচ হাততালিটাই ছিল এই অনুষ্ঠানটার মূল উল্লাসের বিষয়, প্রাণ। যে কারণে আমাদেরটা এখন করতে গিয়ে সাইট সিলেকশনটাকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে নজর দিতে হয়। যেমন একটা জায়গায় করবো যেখানে সবগুলো ফ্যাসিলিটি থাকবে। অনুষ্ঠানে ভিন্নতা আনতেও তো অনেক কাজ করছেন? শাইখ সিরাজ বলেন, গত তিন-চার বছর যেটা আমরা কিছুটা করতে পেরেছি, একেবারে ওপেন এরিয়ায় না গিয়ে একটু প্রটেক্টেড জায়গায়। একবার করেছিলাম একটা গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির ছাদের উপরে। ছাদটা হিউজ, অন্তত ১০-১৫ হাজার স্কয়ার ফিটের ছাদ হবে, পুরোটাই ঘাস দিয়ে মোড়ানো। সেখানে বহু বছর পর সেই হাততালিটা খুঁজে পেলাম, কারণ এটা তো একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ ফ্যাক্টরি সবাইকে মোবাইল আনতে মানা করা হয়েছে, কেউ আনেনি। সমস্যা ও অসুবিধা হচ্ছে যেটা, সেটা হচ্ছে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করাটা। আর ফোনের কারণে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণও হয় না। এখন তো কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটর চলে আসে। ড্রোন-ট্রোন নিয়ে তারা, মানে আমার চেয়েও তাদের বেশি আধুনিক যন্ত্রপাতি হয়। এজন্য আমার তো পরিতৃপ্তির জায়গার অভাব নেই। বিশেষ করে যেটা, ঈদুল আজহা, কোরবানির ঈদটা নামাতে তো আমার অনেক কষ্ট হয়। আমরা শুটিংই করি যখন তখন অনেক গরম থাকে। আগামীরটা যখন শুটিং করবো তখনো পুরো গরমের ভেতরে শুটিং হবে। সেই গরমের ভেতরে সারাদিন ধরে উন্মুক্ত মাঠে, খরতাপের ভেতরে একটা প্রোগ্রাম করা যে কী কঠিন কাজ, সেটা আমি টের পাই। এটা দায়িত্ববোধ থেকে করি এবং করে আসছি। কিন্তু সত্যি বলতে গেলে, শরীরের দিকে তাকিয়ে আমার এটা আর করা উচিত না, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা হতে পারে। এবারের ঈদের আয়োজনটা কেমন? উত্তরে তিনি বলেন, তার আগে বলে নেই, ২০০৪ সালে বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পের ভেতরে সবচাইতে আধুনিক একটা পোল্ট্রি খামার তৈরি হয়েছিল, যার নাম ছিল ওমেগা পোল্ট্রি, যেটা এখনকার ঠিকানা রিসোর্ট। তখন ওখানেই ছিল ওমেগা পোল্ট্রি ফার্ম। সেটা দুই ভাই চালাতো, আলিফ আহমেদ আর কায়সার আহমেদ। সেই পোল্ট্রি খামারটা ছিল সেই সময়কার সবচেয়ে আধুনিক পোল্ট্রি খামার। তারাই প্রথম বাংলাদেশে ছয়টা বা বারোটা করে ডিম বাক্সে আনা শুরু করে। এই গোষ্ঠীটারই এখন একটা বিশাল খামার আছে, সেটা কাপাশিয়ায়, যেখানে প্রতিদিনের ডিমের উৎপাদন ২১ লাখ। তাদের ওখানে আমার কাজ করার মতো অনেক সুবিধা আছে, একটা মাঠ আছে, পানির উপরে খেলা করি, পানির সুবিধা ছিল, লোকবল আছে প্রচুর পরিমাণে, তাদের শ্রমিক আছে যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কৃষক ও কৃষকের সন্তান। এই খেলার ফাঁকে ফাঁকে আমি বিগত এক দশক ধরে যে পোল্ট্রির ক্যাম্পেইন করছি, সেই পোল্ট্রির ঘাত-প্রতিঘাত, উঠানামার এই জার্নিগুলো এবারে প্রতিবেদন হিসেবে আসছে। এটা হচ্ছে এবারকার ইউনিকনেস। মানুষ, দর্শক আমার এই প্রধান প্রাণশক্তি দর্শক, এতে কোনো সন্দেহ নাই। আমি করেছিলাম গ্রামের দর্শকের জন্য, সেটা এখন শহরের দর্শকরাও দেখে। দেশের বাইরের দর্শকরাও দেখে এটা এর অনেক বড় সফলতা।
‘গ্রামের মানুষের সেই হাসি আমি কখনো হাসতে পারিনি’
স্টাফ রিপোর্টার
১৮ মার্চ (বুধবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
