ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ঐন্দ্রিলার

ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা ঐন্দ্রিলার

ফন্ট সাইজ:

অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেনের কাছে কালীপুজো মানেই ছোটবেলার একরাশ স্মৃতি, আনন্দ আর আবেগ। তবে উৎসবের সেই আনন্দের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনাও। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কালীপুজোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

ঐন্দ্রিলা বলেন, ছোটবেলায় তার বাবা চম্পাহাটি থেকে বস্তাভর্তি বাজি কিনে আনতেন। মা-বাবার সঙ্গে মিলে কয়েকদিন ধরে চলতো বাজি পোড়ানোর উৎসব। এমনকি শুটিংয়ের ব্যস্ততা থাকলেও কালীপুজোর আনন্দ থেকে দূরে থাকতেন না তিনি। অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার কাছ থেকেও বাজি আসতো। ফলে উৎসবের আনন্দ আরও বেড়ে যেতো। তবে বাবার মৃত্যুর পর কালীপুজোর আয়োজনের দায়িত্ব অনেকটাই বদলে গেছে। এখন অঙ্কুশই পরিবারের সবাইকে একত্রিত করার উদ্যোগ নেন। বাড়িতে পোষ্য থাকায় তারা এখন শব্দবাজি এড়িয়ে চলেন বলেও জানান অভিনেত্রী। ছোটবেলার
একটি দুর্ঘটনার স্মৃতিও ভাগ করে নেন ঐন্দ্রিলা। তখন তার বয়স ১১-১২ বছর। কালীপুজোর দিন একটি ছবির গানের শুটিং চলছিল। শুটিংয়ের ফাঁকে বাজি ফাটাতে গিয়ে তার হাতেই বিস্ফোরিত হয় একটি বাজি। এতে হাত পুড়ে যায় অভিনেত্রীর। বাবা আগেই সাবধান করেছিলেন, কিন্তু তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বিপদ ঘটে। বর্তমানে ‘শ্বেতকালী
সিজন টু: গুহাকালী’ নিয়েও উচ্ছ্বসিত ঐন্দ্রিলা। এ সিরিজের জন্য আড়াই মাস পরিশ্রম করে ১০ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি।