মৌলভীবাজারে পুলিশ পরিচয়ে মহিষ ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫

মৌলভীবাজারে পুলিশ পরিচয়ে মহিষ ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫

ফন্ট সাইজ:

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার রায়শ্রী এলাকায় মহিষবাহী পিকআপ ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদলের সর্দার জুমন মিয়াসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতি হওয়া পিকআপটি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দু’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাউরঘড়িয়া (চানগাঁও) গ্রামের মেহেদী হাসান মুন্না (২৬), নাগরা/বালিয়াকান্দি, গ্রামের জুমন মিয়া (২৬), সাবিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম (২৬), পশ্চিম মোস্তফাপুর গ্রামের রাহেল মিয়া (২৩) ও বাহারমর্দন গ্রামের সম্রাট মিয়া (২৮)। গত ১৯শে অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার একাটুনা ইউনিয়নের রায়শ্রী এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার মো. শহিদ মিয়া কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার থেকে চারটি মহিষ কিনে পিকআপযোগে বাড়ি ফেরার পথে একদল ডাকাত ৩টি মোটরসাইকেল দিয়ে পিকআপটির গতিরোধ করে। পরে পুলিশের পরিচয় দিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মহিষসহ পিকআপটি ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. শহীদ মিয়া (৪২) মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ প্রথমে মৌলভীবাজার পৌরসভার মনু ব্যারেজ এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া খালি পিকআপটি উদ্ধার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সদর মডেল থানা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে বাউরঘড়িয়া (চানগাঁও) এলাকার মেহেদী হাসান মুন্না (২৬)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাত দলের সর্দার জুমন মিয়া (২৬) এবং পরবর্তী সময়ে দলের অন্য সদস্য নজরুল ইসলাম (২৬), রাহেল মিয়া (২৩) ও সম্রাট মিয়া (২৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, জুমন মিয়ার নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা বিভিন্ন সময়ে গাড়ি, গরু-মহিষ ও অন্যান্য মালামাল লুট করতো।