নদী ও খাল খননে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

‘বিগত সময়ে নদী ও খাল খনন প্রকল্পের নামে যে ‘পুকুর চুরি’ ও অনিয়ম হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তার আর কোনো সুযোগ দেয়া হবে না’। বগুড়ার করতোয়া নদী পুনঃখনন প্রকল্প গ্রহণের লক্ষ্যে নদীর পাড় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
এ সময় তিনি আরও বলেন, অতীতে সারা দেশে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ তছরুপের ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, আগের অনিয়মের তদন্তের পাশাপাশি বর্তমান কাজগুলোতে যাতে ন্যূনতম দুর্নীতি না হয়, সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। কাজের স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল এবং স'ানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে টিম গঠন করে নিয়মিত তদারকি চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া, বিশেষ টাস্কফোর্স নিয়মিত মাঠপর্যায়ে গিয়ে কাজের অগ্রগতি ও মান খতিয়ে দেখছে। নদী খননের পর উত্তোলিত মাটি কোথায় ফেলা হচ্ছে, বৃষ্টির পানিতে সেই মাটি পুনরায় নদীতে মিশে নদী ভরাট হচ্ছে কি না- এসব বিষয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দুর্নীতির দায়ে ইতিমধ্যে বহু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। ফলে অনেকেই এখন আগের মতো নয়ছয় করতে না পেরে কাজ নেয়ার সাহস পাচ্ছেন না। পরিদর্শনকালে উপসি'ত ছিলেন- বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আহসানুল তৈয়ব জাকির, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম। এ সময় আরও উপসি'ত ছিলেন- বগুড়া সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিসহ স'ানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।