ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার দাবি, আশুলিয়ায় কর্মবিরতি ৪ কারখানায়

শান্ত থাকতে পুলিশের মাইকিং

ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার দাবি, আশুলিয়ায় কর্মবিরতি ৪ কারখানায়

ফন্ট সাইজ:

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, শ্রমিকদের ব্ল্যাকলিস্টিং বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল। শ্রমিক অসন্তোষ, কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও কারখানার সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে চলছে পুলিশের মাইকিং।

গতকাল শনিবার শুরু হওয়া এই আন্দোলন আজ দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে। রোববার সকালেও শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকরা কাজে যোগ দিলেও অন্তত চারটি কারখানায় কর্মবিরতি পালনের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নরসিংহপুর এলাকার নিউ এইজ ও আল মুসলিম কারখানার শ্রমিকরা পরে কাজে ফিরেছেন বলে জানা গেছে। তবে ট্রাউজার লাইনসহ কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে আজ সকালে নরসিংহপুর এলাকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দিয়ে হাজিরা দেওয়ার পর কর্মবিরতি শুরু করেন। শ্রমিকদের কাজে ফেরাতে নতুন মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলে আশ্বস্ত করা হলেও দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে রয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে আজ সড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটেছে। শিল্প পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন এলাকায় সুমিত্রা কারখানার পোশাক শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন। এতে যান চলাচল কিছুটা ব্যাহত হয়। সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ কাজ করছেন।

শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হবে। এতে মালিকপক্ষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের বেতন পরিশোধেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। এসব বিষয় শ্রমিকদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে।’