জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে জামায়াত আমীর

জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে

ফন্ট সাইজ:

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধসহ সাত দফা দাবি আদায়ে খুলনা বিভাগ অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। কর্মসূচি থেকে সরকারকে আগামী ৯ তারিখের আগে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। সকাল ৭টায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের প্রায় ৭৭৮টি যানবাহন সেতু পার হয়। প্রায় ৪১০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরুর পর থেকে পুরো পথ জুড়েই বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শরীয়তপুরের নাওডোবা, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী, বাগেরহাটের ফকিরহাট, খুলনা ও যশোরের বিভিন্ন এলাকায় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীরা গাড়িবহরকে স্বাগত জানান। কোথাও কোথাও সড়কের পাশে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ।

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো দলীয় ও ব্যক্তিগত দাবি নিয়ে মাঠে নামি নাই। এগুলো জনগণের দাবি। ৭ দফার মূল দফা হচ্ছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন। এই একটি দফা বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাকি ৬ দফা এসেছে। বিএনপি জাতির গণরায়কে উপহাস করেছে, ঐতিহাসিক প্রতারণা করেছে। বিএনপি ইতিহাস থেকে কোনো শিক্ষা নেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কী জন্য গিয়েছিলেন, কী করে এসেছেন- জাতির সামনে তাকে এটা খোলাসা করতে হবে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না- জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেয়া চলবে না। অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। তিনি আরও বলেন, ৯ তারিখ সংসদ বসার আগেই নিজেদের ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসে ঘোষণা দিন যে- আমরা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করবো। যদি এই ঘোষণা আপনারা দেন, তাহলে পরবর্তী আর কোনো কর্মসূচি আপাতত বিরোধী দলের নেয়ার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু যদি তা না দেন, তাহলে আমরা আগে যেমন বলেছি আজও বলছি- জনগণের এই দাবি, ৭০ ভাগ মানুষের ভোট, এই দুইটাকে ইনশাআল্লাহ আমরাও অপমানিত হতে দেবো না। আদায় করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ! আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় কড়া নাড়ছে।

এ সময় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন না করলে বিএনপিকে মানুষ বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করবে। আর কোনো কারণে ক্ষমতা ছাড়তে হলে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ব্যর্থ হওয়ার দায়ও তাদের নিতে হবে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- এলডিপি’র চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

উদ্বোধনী সমাবেশে অনুপস্থিত এনসিপি’র শীর্ষ নেতৃবৃন্দ: লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিবকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি। মঞ্চে জামায়াত আমীরের পরেই এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের জন্য একটি চেয়ার খালি রাখা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সমাবেশে উপস্থিত হননি। তার পর পরই অবস্থান নেন এলডিপি’র সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ অন্য নেতারা। এনসিপি’র নেতারা জানান, উদ্বোধনী সমাবেশে দলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব না থাকলেও পরে গাড়িবহরে যোগ দিয়েছেন দলটির চার নেতা- জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ও আবদুল হান্নান মাসউদ এবং যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাইফ মুস্তাফিজ। শরীয়তপুরের নাওডোবায় ও খুলনার বাবরী চত্বরের পথসভায় বক্তব্য দেন আরিফুল ইসলাম আদীব। এ ছাড়া বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসুদ। যশোরে বক্তব্য রাখেন এনসিপি’র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

শরীয়তপুরে পথসভা: এদিন লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা পদ্মা সেতু এলাকায় পথসভায় বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পথসভায় তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের ভোটের রায় অগ্রাহ্য করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও ধোঁকাবাজি করছে। জনগণের ঘাড়ে আবারো স্বৈরশাসন চাপিয়ে দিতে চায় সরকার। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ ভোট দিয়েছে, সরকার সেই রায় মানে না। জনগণকে অপমান করছে সরকার। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে, ধোঁকা দিচ্ছে এবং মিথ্যাচার করছে। আমরা কথা দিচ্ছি, জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে এই সাত দফা দাবি বাস্তবায়ন করবো।

এ সময় পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

ফরিদপুরের পথসভা: কুষ্টিয়া পর্যন্ত চলমান লংমার্চের বহর গতকাল বেলা ১১টায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা অতিক্রমকালে ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে পথসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. মো. শফিকুর রহমান। এ সময় ফরিদপুরে ১১ দলীয় জোটের ৭ দফা দাবির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণ গণভোটের পক্ষে ভোট দিলেও সরকার তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। জনগণের দেয়া রায় বাস্তবায়ন করতে হবে সরকারকে। একইসঙ্গে জুলাইয়ের গণ-হত্যাকারীদের বিচার করাসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। দেশ জুড়ে চলা হত্যা, গুম আর সার সংকটসহ নৈরাজ্যের অবসান ঘটাতে হবে। এ সময় তিনি দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে বহরটি খুলনা ও কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে ভাঙ্গা ত্যাগ করেন।

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গোপালগঞ্জে পথসভা: এদিন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পথসভা করেন ১১ দলীয় ঐক্য। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পথসভাটি অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য পথসভার মতো গোপালগঞ্জে কোনো মঞ্চ তৈরি করা হয়নি। ছাদখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন জামায়াত আমীর। গাড়িবহর ঘিরে কয়েক হাজার নেতাকর্মী সেখানে জড়ো হন। যদিও জোটের পক্ষ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, লংমার্চের গাড়িবহর গোপালগঞ্জের উপর দিয়ে গেলেও সংঘাত এড়াতে সেখানে কোনো পথসভা বা সমাবেশ করা হবে না।
পথসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই তাদের লক্ষ্য। সাত দফা দাবি আদায় না করে তারা ঘরে ফিরবেন না। গোপালগঞ্জবাসী ১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি ও আন্দোলনের সঙ্গে থাকবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার লক্ষ্যে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট। আমরা জনগণের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমেছি। আমাদের মূল দাবি হচ্ছে, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ যে রায় দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই দাবি বাস্তবায়ন হলে বাকি ছয় দফাও বাস্তবায়ন হয়ে যাবে।

গোপালগঞ্জে পথসভা শেষে লংমার্চের গাড়িবহরটি খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার খুলনা-মাওয়া মহাসড়কের কাটাখালি মোড়ে ১১ দলের পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ বলেন, আমরা এদেশের মানুষের মুক্তির কথা ও জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইদের কথা বলতে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষের পকেট কেটে ১২শ’ টাকার গ্যাস ২৫শ’ টাকায় কিনতে হচ্ছে। ২ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। দেশের মানুষ এখন মুক্তি চায়। জামায়াতের আমীরের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে নেমেছি। বিএনপি সরকারকে বলছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জুলাই সনদ মেনে নিন। ছাত্রদল-যুবদলের গুণ্ডামি বন্ধ করুন। বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম কমিয়ে দিন তাহলে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন, না হলে পারবেন না।

যশোরে পথসভায় দাবি আদায় না হলে একদফার হুঁশিয়ারি: এদিন সন্ধ্যায় যশোরের মুড়লী মোড়ের পথসভায় জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে আজকের সাত দফা শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপান্তরিত হবে। সরকারকে আমরা সেইটুকু সময় দিতে চাই। আমরা সংসদে বসেই গণভোটের গণরায় ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্নসহ ৭ দফা দাবির সমাধান করতে চাই। কিন্তু তা নাহলে আবারো দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণবিপ্লবের ডাক দেয়া হবে। প্রয়োজনে সরকার পতনের একদফার আন্দোলনের ডাক দিতে আমাদের বাধ্য করবেন না।

এনসিপি’র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সারা দেশে এক নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ বিরাজ করছে। যখন আমরা নিরাপত্তার কথা বলি তখন সরকার পুলিশ দিয়ে বাসা থেকে তুলে নিয় যায়। ময়মনসিংহে এক নারীকে বাসা থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। আইজিপি’র উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ক্রসফায়ার যদি দিতে হয় তাহলে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে যারা ঘুষ নেয় তাদের দিতে হবে। হাসনাত আবদুল্লাহ তার বক্তব্যে বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। দিনে সরকারি দলের কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করবেন আর রাতের অন্ধকারে গিয়ে মিষ্টিমুখ করবেন- এই দ্বিচারিতা পরিহার করতে হবে। অন্যায়কে অন্যায় আর ন্যায়কে ন্যায় বলতে হবে। জনগণ এই সরকারে কার্ডের রাজনীতি বুঝে ফেলেছে। তিনি আরও বলেন, কার্ডের রাজনীতি জনগণ বুঝে ফেলেছে, গণভোটের জনরায়কে উপেক্ষার ফল ভালো হবে না। জনগণ সরকারকে লাল কার্ড দেখানোর আগে আমরা সরকারকে বলবো আপনারা সাত দফা মেনে নিন। নাহলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, চিকিৎসা কার্ডে কাজ হবে না। জনগণ অতিষ্ঠ হলে তারা আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে। তার আগেই জনগণের ভাষা বুঝে তাদের দাবি মেনে নিন।

পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন- জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার, এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব সাঈদ মোস্তাফিজ প্রমুখ। পথসভায় সড়কের দু’পাশে শত শত নারী পুরুষ দাঁড়িয়ে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানান। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে লংমার্চের গাড়িবহর শিল্পশহর নওয়াপাড়ায় পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মী গাড়িবহরকে স্বাগত জানান।