যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, যুবদল ফ্যাসিস্ট আমলে রাজপথে সক্রিয় ছিল, এখনো আছে। ফ্যাসিস্ট আমলে নির্যাতনের পরেও কেউ আন্দোলন ও দল ছেড়ে যায়নি। গত বৃহস্পতিবার যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় বিগত সাড়ে ১৫ বছরে নেতাকর্মীদের দলের জন্য ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এখন সুদিন এসেছে বলে ত্যাগী এ সকল নেতাকর্মীদের দূরে ঠেলে দিবেন না। এমপি, মন্ত্রীরা যুবদলের নেতাকর্মীদের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করবেন না। তাদেরকে মূল্যায়ন করুন। স্থানীয় নির্বাচনে যোগ্যতা অনুযায়ী তাদেরকে কাজে লাগান। তিনি বলেন, আমি কখনো কারও কথায় দলের জন্য নিবেদিত নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করি না। কারণ তারাই দলের প্রাণ। আর এটাই দলের আদর্শ। তবে হাইব্রিডদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে যুবদল সভাপতি বলেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে যুবদলের নেতাকর্মীদের মাঠে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার। জেলা যুবদলের সভাপতি ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিতের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মিজানুর রহমান মিজান, জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, সদস্য আলহাজ আব্দুল মুকিত, মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, ফখরুল ইসলাম, বকসি মিছবাহ উর রহমান, মো. হেলু মিয়া, বিসিবি’র পরিচালকদের সরফরাজ আহমেদ সরফু।
বিশেষ বক্তা ছিলেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ, সহ-সাধারণ মকসুদ আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান, সিলেট জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু সিলেট মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিনার প্রমুখ। এ সময় জেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ জেলার ৭টি উপজেলার যুবদলের সকল ইউনিট কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে জেলার প্রাক্তন যুবদল ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা।
