রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী আহমেদ জাকীর ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক, নিন্দনীয় ও অনভিপ্রেত বলে আখ্যায়িত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, বহিরাগতদের এ ধরনের আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে নলেজ হাব ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ, হেলথ সিস্টেম অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক নীতিসংলাপ (পলিসি ডায়ালগ) শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বুধবার আইইডিসিআর পরিচালক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকীরের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে তাকে মারধরের প্রসঙ্গ তুলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভিডিও ফুটেজে যতটুকু দেখা গেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিচালকের ওপর যেভাবে বহিরাগতরা ভেতরে ঢুকে আক্রমণ করেছেন এবং যে সময় ঘটনাটি ঘটেছে, তখন কক্ষে বৈঠক চলছিল। সেখানে গবেষকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে এ ধরনের শারীরিক আক্রমণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং কখনোই কাম্য নয়। সরকার এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার এরইমধ্যে এ বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে। আইনগতভাবে যা যা করণীয়, তার সবই করা হবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একজন চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে ডা. এম এ মুহিত বলেন, তিনি ড্যাব সভাপতিকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। তিনি একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক এবং একটি সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর বিশ্বাস, এ ধরনের ঘটনাকে তিনি বা তাদের দল কখনোই সমর্থন করবেন না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার সময় কখনো কখনো বাক্যবিন্যাস বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার কারণে ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। তবে চিকিৎসকদের রাজনীতিবিদদের মতো দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকে না।
