মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পদ্মা সেতু এলাকায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুই ব্যক্তির মধ্যে মো. মারুফ হোসেন (১৮) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে সেতুর মাওয়া প্রান্তে ৪ নম্বর পিলারের কাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এ ঘটনায় এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ডাউকা এলাকার মো. মাহবুব হোসেনের ছেলে। মারুফ রাজধানীর শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। নিখোঁজ অপর ব্যক্তির নাম মো. রাসেল (৪০)।
জানা যায়, সোমবার দুপুরে শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারীসহ আটজন কর্মী পদ্মা সেতু এলাকায় বেড়াতে আসেন। একপর্যায়ে তারা পদ্মা নদীতে গোসল করতে নামেন। গোসলের সময় মারুফ ও রাসেল নদীর গভীরে চলে যান। পরে তীরে ফেরার সময় তারা দুজনই পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও মাওয়া নৌ-পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় সোমবার তাদের কাউকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার থেকেই নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়। রাতে অভিযান বন্ধ রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহটি ভেসে ওঠে। পরে সেটি উদ্ধার করা হয়।
মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মালেক খসরু খান বলেন, ঘটনার পর থেকে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে কাজ করছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির মরদেহ পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। নিখোঁজ রাসেলের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
