সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে জমিতে সেচের পানি ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মতিউর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দু’জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও (চন্ডি হেতায়েদপুর) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মতিউর রহমান ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে।
জানা গেছে, সোমবার দুপুরে জমিতে সেচের পানি ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে গ্রামের আরব আলীর ছেলে আলমগীরের সঙ্গে আছির উল্লাহর ছেলে কাশেমের বাকবিতণ্ডা ও মারামারি হয়। এর জেরে মঙ্গলবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে আলমগীরের পক্ষের মতিউর রহমান সুলফির আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে মুজিবুর (৩৮) ও আতাউর (৫০) নামের দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, মতিউর
রহমানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে দু’জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। জগন্নাথপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিন আমিন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
