চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পানির সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক শিশুকে অচেতন করে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোববার সকালে সাতকানিয়া থানায় ভুক্তভোগী শিশুর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের কেঁওচিয়া গ্রামের ডেলিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়া এক নারীকে মামলার তৃতীয় আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো- মো. ইমন (২৩) ও নুরুল আবছার (৩৮)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দু’জনকে রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির বাবা মারা যাওয়ার পর সে মায়ের সঙ্গে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। গত ২০শে অক্টোবর মায়ের অনুপস্থিতিতে প্রতিবেশী হোসনে আরা (৩২) নামের এক নারী শিশুটিকে নিজের ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে পানির সঙ্গে চেতনানাশকজাতীয় পদার্থ মিশিয়ে খাওয়ানোর পর শিশুটিকে অচেতন করা হয়। এরপর ইমন ও নুরুল আবছার তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপরাধে সহায়তা ও প্ররোচনার অভিযোগে হোসনে আরাকে মামলার তৃতীয় আসামি করা হয়েছে। তবে সে পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আলীম বলেন, এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
