নাটোরের লালপুরে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে ঈদগাহ মাঠে গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো- উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও লালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম (৫২), যুবলীগের সক্রিয় কর্মী মো. হাফিজুর রহমান (৩৫) ও লালপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমন আহম্মেদ আগুন (২২)। জাহাঙ্গীর বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে, হাফিজুর রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে, শরিফুল উত্তর লালপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলী ও ইমন একই গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১শে মার্চ ২০২৫ উপজেলার বালিতিতা রামকৃষ্ণপুর (চিনি বটতলা) ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে বিএনপি কর্মী মো. শরিফুল ইসলাম সুজাতসহ পাঁচজন আহত হন। ঘটনার পর ওই দিন রাতে গুলিবিদ্ধ বিএনপি কর্মী বালিতিতা রামকৃষ্ণপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম সুজাতের বাবা মো. আরজেল আলী বাদী হয়ে লালপুর থানায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেপ্তার চারজনকে ২০২৫ সালের ১লা এপ্রিল সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার বিকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ওই ঘটনার দেড় বছর পার হলেও এখনো কোনো অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
লালপুরে গুলিবর্ষণ
যুবলীগের তিন নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪
লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
২৫ অক্টোবর (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
