রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে সড়ক অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিচার্জ এবং ঘরবাড়ি-দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগে অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির জনজীবনে কোনো প্রভাব ফেলেনি। শনিবার সকাল থেকে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্থানীয়দের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে দূরপাল্লার বাস ও কাপ্তাই হ্রদে লঞ্চ চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সকাল থেকে রাঙ্গামাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। দূরপাল্লার বাসগুলোও নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রাঙ্গামাটি ছেড়ে গেছে। একইভাবে কাপ্তাই হ্রদে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত লঞ্চ চলাচলও স্বাভাবিক ছিল। ফলে সড়ক ও নৌপথে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে অবরোধের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম অনুভূত হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তাবাহিনীর উপস্থিতি থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রাখার প্রবণতা দেখা গেছে। কর্মসূচির আওতায় দুই জেলায় যান ও নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হলেও রাঙ্গামাটিতে সড়ক ও নৌপথে চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। রাঙ্গামাটিবাসী ইউপিডিএফ সমর্থিত সব্য গজিয়ে উঠা সংগঠনের অবরোধ কর্মসূচিতে সায় দেয়নি। সাজেকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অবরোধের কর্মসূচি ঘিরে পাহাড়ি জনপদে উত্তেজনা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রাঙ্গামাটিতে জনজীবন স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
