পূজা মিটতেই ফের এসআইআর-বিরোধী বিক্ষোভে শুক্রবার উত্তপ্ত হয়েছে দিল্লির রাজপথ। এদিন দুপুরে এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় ‘দিল্লি কো-অর্ডিনেশন কমিটি অফ পিপল এগেনস্ট এসআইআর’।
ক্রান্তিকারী যুব সংগঠন, সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই ছাড়াও একাধিক সংগঠন এই মিছিলে শামিল হয়েছে। মিছিলে ছিলেন সিপিআইএম নেত্রী বৃন্দা কারাট, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে যোগেন্দ্র লিখেন, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাই। এসআইআর বাতিল হোক। ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বাতিল হোক।
এদিন কালীবাড়ি মার্গ এবং ভাই বীরসিংব মার্গের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে মিছিল শুরু হয়েছিল। গন্তব্য ছিল নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর নির্বাচন সদন। তবে তার আগেই মিছিল আটকে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। নির্বাচন সদনে যাওয়ার পথে একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ মধ্য দিল্লিতে আগে থেকেই জনসমাগম নিষিদ্ধকারী ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছিল। মিছিল আটকে দেয়ার পর, বিক্ষোভকারীরা একটি ‘জনগণের সংসদ’ এর মাধ্যমে এসআইআর অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেছিলেন।
এই বিক্ষোভ ছিল একটি বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ, যা ১ নভেম্বর পর্যন্ত ১৮টি রাজ্যের ৮৮টি শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যথারীতি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল।
এদিকে শুক্রবারই এসআইআর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্তের জন্য নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের দাবিতে বিল পাস করেছে পাঞ্জাবের আপ সরকার। জ্ঞানেশের ইস্তফা চেয়ে এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে সুর তীব্র করেছে তামিলনাড়ুর শাসকদল ‘বিজয়ের টিভিকে-ও।
শুক্রবার তারা তামিলনাড়ুর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ডাকা বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে।
