১০ কিলোমিটার পথ বাঁচাতে গিয়ে দুর্ভোগ, বেহাল সড়ক

১০ কিলোমিটার পথ বাঁচাতে গিয়ে দুর্ভোগ, বেহাল সড়ক

ফন্ট সাইজ:

শেরপুর সদর থেকে নালিতাবাড়ী যাতায়াতে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ সাশ্রয় হয় শেখহাটি ও গাজীরখামার হয়ে যাওয়া সড়কটিতে। সময় ও দূরত্ব কম হওয়ায় প্রতিদিন এ পথে চলাচল করেন দুই উপজেলার হাজারো মানুষ। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে পানি জমে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী ও পরিবহন চালকেরা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেরপুর-নালিতাবাড়ী প্রধান সড়ক দিয়ে যাতায়াতে যেখানে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়, সেখানে শেখহাটি ও গাজীরখামার হয়ে দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। এ কারণে বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন নিয়মিত এ সড়ক ব্যবহার করে। সরজমিন দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে ইট ও খোয়া বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে গর্তগুলো আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে সড়কের ক্ষয়ক্ষতি আরও বেড়েছে। পরিবহন চালক রহিম মিয়া ও জুয়েল মিয়া জানান, আগে শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ী যেতে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সময় লাগতো। বর্তমানে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা, কখনো তারও বেশি সময় লাগে। খারাপ সড়কে চলাচলের কারণে গাড়ির চাকা, সাসপেনশনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বেড়েছে পরিবহন পরিচালনার ব্যয়। গাজীরখামার এলাকার দোকানদার জুয়েল বলেন, সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে শেরপুর এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খন্দকার মাহমুদুল আশরাফ বলেন, ‘রুরাল কানেক্টিভিটি ইমপ্রুভমেন্ট’ নামে একটি বড় প্রকল্প চালু হলে সড়কটি ওই প্রকল্পের আওতায় নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অর্থায়নেও সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হবে।