কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক দু’টি অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ সময় ইয়াবা পাচারের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফের হোয়াইক্যং চেকপোস্টে একটি ডাবল কেবিন পিকআপের পেছনের সিট কভারের নিচে লুকানো অবস্থায় ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পিকআপের চালককে আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে, উখিয়ার পালংখালী সীমান্তে মিয়ানমার থেকে পোঁটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের সময় তিনজনকে আটক করে তাদের কাছ থেকে আরও ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
৬৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান। বিজিবি সূত্র জানায়, গত ১৯শে অক্টোবর রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে টেকনাফের মৌলভীবাজার এলাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ডাবল কেবিন পিকআপ হোয়াইক্যং চেকপোস্টের কাছে পৌঁছালে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে গাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পিকআপের পেছনের সিট কভারের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পিকআপের চালক মো. সাইফুল ইসলামকে (৩১) আটক করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার গোসাইলডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত পিকআপ ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। একই রাতে প্রায় ৯টার দিকে উখিয়ার পালংখালী বিওপি’র বিশেষ টহলদল সীমান্তবর্তী উলুবুনিয়া মাঝেরকাঠি এলাকায় বেড়িবাঁধের উপর মিয়ানমার দিক থেকে পোঁটলা হাতে তিনজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে।
তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা চ্যালেঞ্জ করেন। এ সময় তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বহন করা পোঁটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ৩৪টি কার্টনে ৩ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটক তিনজন হলেন- উখিয়ার কাটাখালী এলাকার রাসেল (২৩), একই এলাকার শাকিল (২২) এবং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি ব্লক-১-এর এফডিএমএন সদস্য খাইরুল আমিন (২৪)। বিজিবি’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাকিলকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
