ফ্রেশ মিল্ক পাউডার এর পৃষ্ঠপোষকতায় আন্তর্জাতিক শেফস ডে ২০২৬ উদযাপিত, অংশ নিলেন ৬০০-এর বেশি শেফ

ফ্রেশ মিল্ক পাউডার এর পৃষ্ঠপোষকতায় আন্তর্জাতিক শেফস ডে ২০২৬ উদযাপিত, অংশ নিলেন ৬০০-এর বেশি শেফ

ফন্ট সাইজ:

স্বাস্থ্যকর সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশে উদযাপিত হয়েছে খাবার নিশ্চিতকরণে রন্ধনশিল্পের আন্তর্জাতিক শেফস ডে ২০২৬। আগামীর জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার’ প্রতিপাদ্যে রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৬০০-এর বেশি শেফ ও রন্ধনশিল্প সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী অংশ নেন।
শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশ (সিএফবি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ফ্রেশ ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল। পেশাদার শেফদের অবদান উদযাপনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মরক্কোর রাষ্ট্রদূত মিস লাল্লা বাউথাইনা এল কেরদৌদি এল কৌলালি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “খাদ্য মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বাস্থ্যকর খাবার নিশ্চিত করতে শেফদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিকর উপাদান ব্যবহার করে সুস্বাদু খাবার তৈরি এবং খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে শেফরা মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন। আন্তর্জাতিক শেফস ডের এ আয়োজন রন্ধনশিল্পীদের সৃজনশীলতা ও পেশাদারত্বকে উৎসাহিত করবে।”

অনুষ্ঠানে শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি শেফ জহির খান তার বক্তব্যে বলেন, “শেফরা শুধু খাবার তৈরি করেন না, তারা মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও রুচি গঠনেও ভূমিকা রাখেন। স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরিতে মানসম্মত উপাদান নির্বাচন এবং নতুন নতুন রেসিপি নিয়ে কাজ করা জরুরি। আন্তর্জাতিক শেফস ডে আমাদের পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রন্ধনশিল্পের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দেয়।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা শাকাওয়াত হোসেন, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শেফ বোরহান খান এবং জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জুলিয়ান সিটল বাটলারো ও শেফ জসিম উদ্দিন।

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. রহমতুল্লাহ খোন্দকার, সিনিয়র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (অ্যাকাউন্টস) মো. মাহবুবুর আলম, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ব্র্যান্ড) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (করপোরেট সেলস) শফিকুল ইসলাম।

মো. রহমতুল্লাহ খোন্দকার বলেন, “রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে মানসম্মত খাদ্য উপাদানের ব্যবহার এবং সৃজনশীল রান্নার চর্চাকে উৎসাহিত করা সম্ভব। ফ্রেশ ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডার শেফদের বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খাবার তৈরিতে সহায়তা করবে। আন্তর্জাতিক শেফস ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

অনুষ্ঠানে ফ্রেশ ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডারের এক্সপেরিয়েন্স জোনে শেফ ও অতিথিরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পদ তৈরিতে পণ্যটির বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। এ ছাড়া ফ্রেশ মিল্ক পাউডার দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার ফিরনি ও দই পরিবেশন করা হয়। যেখানে শেফদের জন্য লাকি ড্র, ব্র্যান্ডেড ফটো বুথ ও ফ্রেশ কফি কর্নারের ব্যবস্থা ছিল।

উল্লেখ্য, নিউজিল্যান্ড থেকে আমদানি করা ফ্রেশ ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডারে রয়েছে ২৮ শতাংশ মিল্ক ফ্যাট। এটির ক্রীমি স্বাদ এবং সহজে গুলে যাওয়ার বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন ধরনের খাবার ও মিষ্টান্ন তৈরিতে অত্যন্ত উপযোগী।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এ আয়োজন পেশাদার শেফদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের খাদ্য ও আতিথেয়তা খাতের পেশাজীবীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে শেফদের পেশাগত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও রন্ধনশিল্পে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানটিতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিল ফ্রেশ ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডার, যার সঙ্গে যুক্ত ছিল ‘ফুয়েলড বাই’ পার্টনার ওমেরা এলপিজি। এ ছাড়া গোল্ড পার্টনার হিসেবে ছিল বেঙ্গল মিট, আপন ও ডাইভার্সি।

মিডিয়া যোগাযোগ
হুমায়ূন আহমেদ
সিনিয়র ম্যানেজার, মিডিয়া রিলেশন্স
পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)
হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৯১১৮৫৩৮৪০
মোবাইল: ০১৮৯৪৭২১৭০০
ইমেইল: [email protected]
এমজিআই সম্পর্কে
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শিল্পগ্রুপটি এফএমসিজি, জ্বালানি, উৎপাদন ও অবকাঠামোসহ নানা খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এমজিআই বর্তমানে ৫৭টিরও বেশি শিল্প ইউনিট পরিচালনা করছে । এসব প্রতিষ্ঠানে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ‘ফ্রেশ’সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাধ্যমে এমজিআই দেশ ও বিদেশের লাখো ভোক্তাকে পন্য ও সেবা দিয়ে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।