মিলেমিশে দখল-বাণিজ্য রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা

মিলেমিশে দখল-বাণিজ্য রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা

ফন্ট সাইজ:

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর মার্কেট ও আশপাশের রেলওয়ের জায়গা দখল করে দোকানপাট নির্মাণ এবং ভাড়া দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি চক্র রেলওয়ের জমিতে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। মাঝেমধ্যে উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়া হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় দখল-বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছে না। এতে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, চলাচলের পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেলওয়ের জায়গা দখল করে বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট স্থাপন করা হলে সেগুলো আবার অন্য ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দেয়া হয়।

এভাবে সরকারি জমি ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও দোকানপাট ও পণ্যসামগ্রী রাখার কারণে চলাচলের জায়গা সংকুচিত হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব স্থাপনার বৈধতা এবং দখলের সঙ্গে কারা জড়িত, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় এসব দখল কার্যক্রম চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের পক্ষে প্রতিবাদ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না; সরকারি জমি দখলের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এলাকাবাসীর মতে, শায়েস্তাগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা পৌর মার্কেট ও আশপাশের জায়গায় সরকারি সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। রেলওয়ের জমি যদি অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে সীমানা নির্ধারণ করে দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে কেউ পুনরায় দখল করতে না পারে, সে ব্যবস্থাও নিতে হবে। সচেতন মহল মনে করেন, রেলওয়ের জমি দখল করে দোকান নির্মাণ ও ভাড়া দেয়ার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে জমির প্রকৃত মালিকানা, লিজের কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট স্থাপনার বৈধতা যাচাই করা দরকার। এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে দখলের প্রকৃত চিত্র এবং উচ্ছেদ কার্যক্রমের বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য জানা যাবে। স্থানীয়দের দাবি, দখলদার যেই হোক, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।