সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সম্প্রীতির নগরী। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। অতীতেও আমরা এই সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখেছি, এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এই বন্ধন অটুট রাখতে হবে।
সোমবার সকালে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিনে দক্ষিণ সুরমার জৈনপুরে অবস্থিত ৫১ পীঠের অন্যতম সতীপীঠ ‘শ্রী শ্রী মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠস্থান’ সংলগ্ন দুর্গামন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকালে মন্দিরে মহাসমারোহে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পীঠস্থান পরিচালনা কমিটির আয়োজনে এদিন ৭ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে কুমারী মাতারূপে পূজা করা হয়। মহাপীঠের সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী মিন্টুর পরিচালনায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তার সহধর্মিণী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী দিলারা মালিক এবং বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা ফ্রন্ট, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, জৈনপুর, শিবগঞ্জসহ এলাকার সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— মহাপীঠের সহ-সভাপতি নারায়ণ চক্রবর্তী, বিজয় কুমার দেব বুলু, এডভোকেট চন্দন দাশ, এডভোকেট বিপ্লব কান্তি দে মাধব, মিন্টু দাশ, যুগ্ম সম্পাদক প্রমথ দাশ, নিপেশ কান্ত দেব পিযুষ, সহ-সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর চন্দ্র পাল, জয়দ্বীপ চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জিত কুমার কর, আইন সম্পাদক এডভোকেট হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস রিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত দেব লাভলু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোজ তালুকদার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক দীপু কুমার গোপ, প্রচার সম্পাদক পরিতোষ দেব পুলক, আপ্যায়ন সম্পাদক কার্তিক ঘোষ, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক কাঞ্চন পাল, দপ্তর সম্পাদক নয়ন দাস, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সুমন দেব, সদস্য সুমন্ত ভট্টাচার্য, সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ বর্ধণ, এডভোকেট সুদীপ বৈদ্য, অমিত চৌধুরী, জনি চক্রবর্তী, প্রকৌশলী আংশুমান ভট্টাচার্য, দীপক কুমার দাশ, ডা. নিখিল মালাকার, প্রভাষক নিরুপম চক্রবর্তী শুভ্র ও রিমন ধর প্রমুখ।
