টানা দ্বিতীয় জয় আবাহনীর, পুলিশের জয়রথ থামলো আরামবাগ

বাংলাদেশ ফুটবল লীগ

টানা দ্বিতীয় জয় আবাহনীর, পুলিশের জয়রথ থামলো আরামবাগ

ফন্ট সাইজ:

ড্র দিয়ে ঘরোয়া ফুটবলের নতুন মৌসুম শুরু করেছিল আবাহনী লিমিটেড। বাংলাদেশে ফুটবল লীগে (বিএফএল) পিডব্লিউডি স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে গোলশুন্য ড্র করে তারা। ফেডারেশন কাপেও আবাহনীর শুরুটা ভালো হয়নি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে আকাশী-নীল শিবির। তবে বিএফএলের দ্বিতীয় রাউন্ডে ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ৫-১ গোলে হারিয়ে জয়খরা কাটায় মারুফুল হকের শিষ্যরা। তৃতীয় রাউন্ডে সেই জয়ের ধারা ধরে রাখলো আবাহনী।  চট্টগ্রাম সিটি ক্লাবকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে তারা। অন্যদিকে লীগে টানা চার ম্যাচেই হার দেখলো বন্দরনগরীর দল চট্টগ্রাম। একই দিন টেবিল টপার বাংলাদেশ পুলিশ এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে চমক দেখায় আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির মধ্যকার ম্যাচও ২-২ গোলে ড্র হয়।



মুন্সীগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আবাহনীর শুরুর একাদশে খেলেন তিন নাইজেরিয়ান ও এক পাকিস্তানি ফুটবলার। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি ক্লাবের একাদশে একজন করে নেপালি,ঘানানিয়ান,মিশরীয় ও জাপানি ফুটবলার খেলেন। শুরু থেকে চট্টগ্রাম সিটি ক্লাবের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করে খেলে আবাহনী। ষষ্ঠ মিনিটে রোস্তম ইসলামের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে বন্দরনগরীর দলটি। বাম দিক থেকে দূর পাল্লার শট নেন নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার মিকেল বাবাতুন্দে। চট্টগ্রামের গোলরক্ষক বাপ্পি হাসান সেই শট ঠেকানোর পর বক্সের মধ্যে রোস্তমের পা লেগে বল জালে জড়ায়। বিরতির আগে আবদুল্লাহ ওমরের অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অ্যান্থনি ওকাচি। প্রধমার্ধে আবাহনীর চারটি অন টার্গেট শটের বিপরীতে একটি শটও নিতে পারেনি চট্টগ্রাম সিটি ক্লাব। বিরতির পর পাপন সিংকে উঠিয়ে শেখ মোরসালিনকে নামান কোচ মারুফুল হক। চট্টগ্রামের কোচ তিনটি পরিবর্তন আনেন। ৫৫ মিনিটে আবারো গোল হজম করে তারা। ওকাচির অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে আল আমিন। ম্যাচের যোগ করা সময়ে এক গোল শোধ দেয় চট্টগ্রাম। মিশরীয় মিডফিল্ডার মোস্তফার অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন রাফায়েল ওনারবে। ম্যাচের পর আবাহনীর ফুটবলার ইয়াসিন খান বলেন, ‘এই সিজনে প্রথমবার নিজেদের হোমে ম্যাচ খেললাম। জয়ের ধারাবাহিকতা রাখতে চাই।’



দিনের আরেক ম্যাচে গাজীপুরের শহিদ বরকত স্টেডিয়ামে ৩০ মিনিটের সময় রাহুল জুনিয়রের গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ পুলিশ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আরামবাগকে সমতায় ফেরান সামুর জয় তঞ্জঙ্গা। চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান অক্ষত পুলিশের। গোপালগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স-রহমতগঞ্জ ম্যাচে ব্রাদার্সের হয়ে গোল করেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও পাকিস্তানের ফরোয়ার্ড সৈয়দ আলী রেজা। আর রহমতগঞ্জের পক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করেন অভিষেক লম্বু। আরেকটি গোল আসে সাজ্জাত হোসেনের পা থেকে। চার ম্যাচে দুই পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ১১ নম্বরে ব্রাদার্স।
​